• সোমবার, ২৯ নভেম্বর ২০২১, ০৮:৩২ পূর্বাহ্ন
  • Bengali Bengali English English
নোটিশ :
* ২৬ মার্চ মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উপলক্ষে দেশবাসীকে বীরযোদ্ধা অনলাইন পত্রিকার পক্ষ থেকে জানাই প্রাণ ঢালা অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা * বিভিন্ন বিভাগ, জেলা ও উপজেলাতে অভিজ্ঞ সংবাদকর্মী  আবশ্যক। আগ্রহীদের নিম্নে ঠিকানায় যোগাযোগ করার জন্য জানানো যাচ্ছে।

হোসেনপুরে শিলপাটা কাটানো কালামকে ইউএনওর সহায়তা

বীরযোদ্ধা / ২৪৯
প্রকাশিত : ৬:৫০ পিএম, (মঙ্গলবার) ৮ জুন ২০২১
smart

আশরাফ আহমেদ :

কিশোরগঞ্জের হোসেনপুরে শিলপাটা কাটানো অর্থাৎ ধার দেওয়ার কারিগর আবুল কালামের মানবেতর জীবন ধারনের বর্ণনা দিয়ে ‘বীরযোদ্ধা ডট কম’ অনলাইন পত্রিকায় ‘৩৫ বছর ধরে শিলপাটা ধারে জীবিকা নির্বাহ’ শিরোনামে এক সংবাদ প্রকাশিত হওয়ার পর সংবাদটি স্থানীয় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রাবেয়া পারভেজের নজরে আসে।

পরে বীরযোদ্ধা অনলাইন পত্রিকার হোসেনপুর প্রতিনিধির মাধ্যমে হতদরিদ্র আবুল কালামকে তিনি তার অফিসে নিয়ে আসতে বলেন। আজ মঙ্গলবার বেলা ১১টায় শিলপাটা ধারের কারিগর আবুল কালামকে নিয়ে ইউএনও কার্যালয়ে উপস্থিত হলে সেখানে আবুল কালামের জীবন যুদ্ধের বিভিন্ন অভিজ্ঞতার কথা শোনেন ইউএনও রাবেয়া পারভেজ।

ইউএনও রাবেয়া পারভেজ, আবুল কালামের আর্থিক অসচ্ছলতা ও জীবনের কষ্টের কথা শুনে উনাকে নিজস্ব তহবিল থেকে খাদ্য সামগ্রী ও নগদ অর্থ সহায়তা প্রদান করেন।

এ সময় ইউএনও রাবেয়া পারভেজ বলেন, এখনও তিনি বাপ দাদার পেশাকে আঁকড়ে ধরে রেখেছেন এবং দারুন মানবেতর জীবন যাপন করে চলেছেন। আসলে এসব অবহেলিত মানুষরাই সাহায্য ও অনুদান পাওয়ার যোগ্যতা রাখেন। ভবিষ্যতে সরকারি অনুদান কিংবা ঘর বরাদ্দ আসলে আবুল কালামকে প্রদান করা হবে বলে তিনি আশ্বস্ত করেছেন।

উল্লেখ্য আবুল কালাম দীর্ঘ ৩৫ বছর ধরে শিলপাটা ধারের কাজ করে মানবেতর জীবনযাপন করছেন। ঘরে বৃদ্ধ মা-বাবা, ছোট্ট এক ছেলে ও স্ত্রীকে নিয়ে খুব কষ্টে কাটছে তার জীবন। সারাদিন ৫-৬টি গ্রাম ঘুরে শিলপাটা ধারে ৩০০ থেকে ৪০০ টাকা উপার্জন হয়, তা দিয়েই কোনোমতে পরিবার পরিজন নিয়ে চলছে। মাথা গোঁজার নড়বড়ে একটি কুঁড়েঘর আর কিছুই নেই। বৃষ্টি ও হালকা বাতাসে কখন ভেঙ্গে পড়ে তা নিয়ে ভয়ে কাটে দিনরাত।

অনুদান হাতে পেয়ে আনন্দে কেঁদে ফেলেন আবুল কালাম। দু’হাত তুলে ইউএনও রাবেয়া পারভেজ ও তার পরিবারের জন্য দোয়া করেন তিনি।

হতদরিদ্র আবুল কালাম বলেন, আমার এই দারিদ্রতার জীবন যাপন গণমাধ্যমে তুলে ধরেছেন এবং আমাকে সাহায্য করেছেন এজন্য আপনাদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি। তিনি আরও বলেন, সমাজে কোনো পেশাকেই ছোট করে দেখা ঠিক না। এ পেশায় নিজেকে ধরে রেখেছি তবুও বিপথে যাইনি। যারা বেকার, তারাও একটা কিছু কাজের মাধ্যমে জীবিকা নির্বাহ করতে পারে। তিনি মনে করেন, সততা আর পরিশ্রমী হলে সব পেশাতেই সম্মান রয়েছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর