• সোমবার, ২৫ অক্টোবর ২০২১, ০৯:৪৩ পূর্বাহ্ন
  • Bengali Bengali English English
নোটিশ :
* ২৬ মার্চ মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উপলক্ষে দেশবাসীকে বীরযোদ্ধা অনলাইন পত্রিকার পক্ষ থেকে জানাই প্রাণ ঢালা অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা * বিভিন্ন বিভাগ, জেলা ও উপজেলাতে অভিজ্ঞ সংবাদকর্মী  আবশ্যক। আগ্রহীদের নিম্নে ঠিকানায় যোগাযোগ করার জন্য জানানো যাচ্ছে।

হোসেনপুরে মৌসুমি ফলে বাজার সয়লাব: দামে স্বস্তিতে ক্রেতারা

বীরযোদ্ধা / ১৬৯
প্রকাশিত : ১:০৯ পিএম, (বৃহস্পতিবার) ২৭ মে ২০২১

আশরাফ আহমেদ :

মধু মাসের শুরু থেকেই কিশোরগঞ্জের হোসেনপুরের হাট-বাজারে ফল আসতে শুরু করে। তবে ইদানিং মৌসুমি ফলে বাজার সয়লাব। দেশি ও বিদেশি ফলের দাম হাতের নাগালে থাকায় সাধারণ ক্রেতারা স্বস্তিতে কিনতে পারছেন।

বিক্রেতারা বলছেন, মৌসুমের শুরু হওয়ায় দেশীয় ফলের দাম  বেশি থাকলেও, তবে কয়েকদিনের মধ্যে দাম সাধারণ ক্রেতাদের   হাতের নাগালে চলে আসছে বলে তারা জানান।

ইতোমধ্যে হোসেনপুর বাজারে আম, কাঁঠাল, লিচু, আনারসসহ দেশীয় ফলের সমাহার ঘটেছে। দেশীয় ফলের পাশাপাশি বাজারে বিদেশী ফলেরও চাহিদা আছে। তবে, মৌসুমের  থেকেই দেশী ফলের দিকেই ভোক্তাদের বেশি ঝোঁক দেখা গেছে। দাম  কম  থাকায় তারা অনায়াসে তা কিনে নিয়েও যাচ্ছেন।

হোসেনপুর বাজারে ফলের আড়তে গিয়ে দেখা গেছে, দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে আড়তে আসছে মৌসুমী ফল। আড়তে কাঁঠাল, আনারস, আম, লিচু ইত্যাদি ফল আসছে। খুচরা বিক্রেতারা চাহিদা অনুসারে সেখান থেকে পাইকারি দরে ফল কিনে নিয়ে শহরের বিভিন্ন এলাকায় যাচ্ছেন। বাজারে ভাসমান বিক্রেতারাও ফল নিয়ে রাস্তার ধারে দাঁড়িয়ে বিক্রি করছেন। ফলের দোকানের চেয়েও রাস্তার ধারে ভাসমান ফল বিক্রেতার নিকট সাধারণ ক্রেতাদের সমাগম বেশি। ভাসমান বিক্রেতাদের নিকট ফলের দাম তুলনামূলকভাবে কম।

ফল দোকানগুলোতে দেখা গেছে, দেশী আম ৪০ থেকে ৫০ টাকায়, লিচু শ’ প্রতি ২৪০ থেকে ২৬০ টাকায়, কাঁঠাল আকারভেদে ১০০ থেকে ৩০০ টাকায়, আনারস প্রতি পিস ৫০ টাকা থেকে ৮০টাকায় এবং তরমুজ আকারভেদে ১৮০ থেকে ২৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। এছাড়া ফিজি আপেল প্রতিকেজি ১৫০ থেকে ২৪০, গালা আপেল ১৮০ থেকে ২৭০, সবুজ আপেল ২০০ থেকে ২৫০ টাকা, ডালিম প্রতিকেজি ২২০ থেকে ২৮০, কলা হালি ২০টাকা থেকে ৩০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে বলে জানিয়েছেন দোকানিরা।

দ্বীপেশ্বর এলাকায় ভ্রাম্যমাণ ফল বিক্রেতা শরীফ মিয়া জানালেন, তিনি প্রতি কেজি আম ৫০ টাকা দরে আর লিচু শ’২০০ টাকায় বিক্রি করছেন। বাজারে আম ও লিচু এখনও কম আসছে তাই দাম কিছুটা বেশি। তবে আরও কয়েকদিনের মধ্যে দাম কমে যাবে বলে জানান তিনি।

বাজারে ফল কিনতে আসা হোসেনপুর সরকারি মহিলা কলেজের অধ্যাপক জিয়াউর রহমান জানালেন, ‘তিনি মঙ্গলবাড়িয়ার লিচু কিনেছেন।  লিচুর আকার বড় ও খুবই সুস্বাদু। কম দামে কিনে স্বস্তি পেলাম।’

ফল বিক্রেতা কাইয়ুম বীরযোদ্ধাকে বলেন, বাজারে দেশি ও বিদেশি ফলের আগমন ঘটছে। ক্রেতাদের চাহিদা বাড়ার কারণে কম দামে বিক্রি করে ও  মুনাফা অর্জন করতে পারছি।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর