• শনিবার, ২২ জানুয়ারী ২০২২, ০৪:৫৯ পূর্বাহ্ন
  • Bengali Bengali English English
নোটিশ :
* ২৬ মার্চ মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উপলক্ষে দেশবাসীকে বীরযোদ্ধা অনলাইন পত্রিকার পক্ষ থেকে জানাই প্রাণ ঢালা অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা * বিভিন্ন বিভাগ, জেলা ও উপজেলাতে অভিজ্ঞ সংবাদকর্মী  আবশ্যক। আগ্রহীদের নিম্নে ঠিকানায় যোগাযোগ করার জন্য জানানো যাচ্ছে।

হোসেনপুরে ফেরিওয়ালায় আতঙ্ক

বীরযোদ্ধা / ৭৪
প্রকাশিত : ৪:৩৭ পিএম, (বৃহস্পতিবার) ১০ জুন ২০২১

আশরাফ আহমেদ :

বাংলাদেশের উত্তরাঞ্চলের ফেরিওয়ালা নিয়ে কিশোরগঞ্জের হোসেনপুরের জন সাধারনের মাঝে নতুন করে করোনা আতঙ্ক দেখা দিয়েছে। ভারতের সীমান্তবর্তী নওগাঁ, রাজশাহী, চাপাইনবাবগঞ্জ, নাটোর, কানসাটসহ উত্তরাঞ্চলের কয়েক’শ ফেরিওয়ালা হোসেনপুরের সর্বত্র প্লাস্টিক সামগ্রী ফেরী করে বেড়ানোই এ আতঙ্ক দেখা দেয়।

এদিকে উত্তরাঞ্চল থেকে আসা এসব ফেরিওয়ালা শ্রমিক শ্রেণির লোকজনের ব্যাপারে স্থানীয় মানুষের মাঝে ভারতীয় সংক্রমন নিয়ে আতঙ্ক ছড়াচ্ছে। তাই এসব ফেরিওয়ালাদেরকে দ্রুত করোনা পরীক্ষা করার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি জোর দাবি জানিয়েছেন এলাকাবাসি।

জানা যায়, গত রোজার ঈদকে সামনে রেখে উত্তরাঞ্চলের প্রায় সব ফেরিওয়ালা ও শ্রমিক বাড়ি চলে যায়। করোনা প্রকোপ বেড়ে যাওয়ায় লকডাউনের কারণে এরা স্ব স্ব এলাকায় আটকা পড়ে। সেই সাথে শুরু হয় দেশের সীমান্তবর্তী জেলাগুলোতে ভারতীয় সংক্রমন। বর্তমান সময়ে এদিকে লকডাউন শিথিল হয়ে এলে উপার্জনের তাগিদে আবারও তারা দলে দলে হোসেনপুরে আসতে শুরু করে।

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, হোসেনপুর মহিলা কলেজ সংলগ্ন, দ্বীপেশ্বর, ঢেকিয়াসহ এলাকায় টিনশেড ও আধাপাকা মেস বাড়িতে তারা বসবাস করে। প্লাস্টিকের গৃহস্থালী সামগ্রী, বাচ্চাদের খেলনা ইত্যাদি বাইসাইকেলে করে উপজেলার প্রত্যন্ত অঞ্চলে নগদ টাকা, ধান, চাল ও পুরাতন সামগ্রীর বিনিময়ে বিক্রি করে থাকেন। এদের অনেকেই আবার উচ্ছিষ্ট চুল কেজি দরে কিনে নিয়ে পরচুলা ফ্যাক্টরিতে বিক্রি করে। সকাল ৭টার মাঝে ফেরির উদ্দেশ্যে বেড়িয়ে রাত ৮টা নাগাদ তারা ঘরে ফেরে। এ নিয়ে সম্প্রতি স্থানীয় লোকজন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে সতর্কতামুলক পোস্ট দিচ্ছে। বিষয়টি নিয়ে এলাকাবাসি পৌরসভা ও উপজেলা প্রশাসনকে অবহিত করলে তারা প্রতিকারের উপায় খুঁজছেন বলে জানান।

পৌরসভার ৮ নং ওয়ার্ডের বাসিন্দা  কামরুল বীরযোদ্ধা ডট কমকে বলেন, আমরা উত্তরাঞ্চলের ফেরিওয়ালা ও শ্রমিকদের নিয়ে উদ্বেগ ও আতঙ্কে রয়েছি। ওইসব এলাকায় করোনার ভারতীয় সংক্রমন দ্রত ছড়িয়ে পড়ছে। এদের মাধ্যমে আমাদের অঞ্চলে ব্যাপক সংক্রমন হতে পারে। এজন্য দ্রত এদেরকে করোনা পরীক্ষা করা জরুরী।

ইউএনও রাবেয়া পারভেজ বলেন, এ বিষয়ে আমার জানা নেই। তবে তাদের করোনা পরীক্ষা অগ্রাধিকার ভিত্তিতে করা হবে।

 


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর