• সোমবার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২১, ০৪:২৫ পূর্বাহ্ন
  • Bengali Bengali English English
নোটিশ :
* ২৬ মার্চ মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উপলক্ষে দেশবাসীকে বীরযোদ্ধা অনলাইন পত্রিকার পক্ষ থেকে জানাই প্রাণ ঢালা অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা * বিভিন্ন বিভাগ, জেলা ও উপজেলাতে অভিজ্ঞ সংবাদকর্মী  আবশ্যক। আগ্রহীদের নিম্নে ঠিকানায় যোগাযোগ করার জন্য জানানো যাচ্ছে।

হোসেনপুরে ফিরছে পাটের সুদিন, লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে বেশি আবাদ

বীরযোদ্ধা / ১৭৮
প্রকাশিত : ২:৩৭ পিএম, (বুধবার) ২৮ এপ্রিল ২০২১

আশরাফ আহমেদ :

সারাবিশ্বে পাট উৎপাদনের দিক দিয়ে বাংলাদেশ ছিল প্রথম। উৎপাদিত পাট বহির্বিশ্বে বিক্রি করে অর্জন করতো প্রচুর বৈদেশিক মুদ্রা। কিন্তু নানান অনিয়ম, দুর্নীতি ও পাটের ন্যায্যমূল্য না পাওয়ার কারণে আস্তে আস্তে পাট চাষ থেকে মুখ ফিরিয়ে নেয় স্থানীয় পাট চাষিরা। তবে গত বছর পাটের মূল্য অস্বাভাবিকভাবে বৃদ্ধি পাওয়ায় পাট চাষে আগ্রহ বেড়েছে চাষীদের। তাই হারানো ঐতিহ্য পুনরায় ফিরে পাবে সোনালী আঁশ পাট এমন প্রত্যাশা করছেন পাট গবেষকরা।

চলতি মৌসুমে কিশোরগঞ্জের হোসেনপুর উপজেলার বিভিন্ন গ্রাম ও প্রত্যন্ত চরাঞ্চলের জমিতে লক্ষ্যমাত্রার চেয়েও ব্যাপক ভাবে সোনালী আঁশের আবাদ হয়েছে। দেশে সার, বীজ ও অন্যান্য আনুষঙ্গিক খরচ কম ও অনুকূল আবহাওয়া থাকায় সোনালী আঁশের ফলন অধিক হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। দেশের হাটবাজারে পাটের দাম অধিক ও কম খরচে পাটের অধিক ফলন হওয়ায় সোনালী আঁশের সুদিন ফিরে আসবে বলে মনে করেন স্থানীয় পাট চাষিরা।

কৃষি অফিস সূত্রে জানা যায়, উপজেলার ৬টি ইউনিয়ন ও একটি পৌরসভায় বিভিন্ন গ্রাম ও চরাঞ্চলের সমতল ও অসমতল  জমিতে এ বছর পাটের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছিল ২হাজার ১শত ১২হেক্টর জমিতে। তবে এ লক্ষ্যমাত্রা ছাড়িয়ে ২ হাজার ৪ শত হেক্টর জমিতে পাটের আবাদ হয়েছে। তার মধ্যে দেশীয় পাট ১ হাজার ৫শ হেক্টর ও তোষা জাত ৫শত হেক্টর ও অন্যান্য  জাতের পাট রয়েছে। বর্তমানে বাজারে সরকার নির্ধারিত মণ প্রতি ৪ হাজার থেকে ৪ হাজার ২শত টাকায় পাট বিক্রি হচ্ছে। ফলে পাট চাষে উদ্বুদ্ধ হয়ে ব্যাপক ভাবে পাট চাষ করে আর্থিকভাবে লাভবান হওয়ার স্বপ্ন দেখছেন স্থানীয় পাট চাষিরা।

উপজেলার জিনারী ইউনিয়নের গ্রামের পাট চাষী সাইফুল ইসলাম, সিদলা ইউনিয়নের সাহেবের চর গ্রামের পাট চাষী মফিজ উদ্দিন, চর বিশ্বনাথপুর গ্রামের হেলাল উদ্দিনসহ অনেকেই বীরযোদ্ধাকে জানান, অন্যান্য কৃষি ফসলের তুলনায় পাটের আবাদে খরচ কম হয়, পাটের বাজার দামও বেশি। তাই আমরা এ বছর বহু জমিতে পাটের আবাদ করেছি।

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ মোঃ ইমরুল কায়েস বীরযোদ্ধাকে বলেন, উপজেলায় আমাদের লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে বেশি পাটের আবাদ হয়েছে। তবে পাটের দাম সন্তোষজনক অবস্থা বিরাজ করায় উপজেলায় পাটের সুদিন ফিরে আসবে বলেও জানান তিনি।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর