• সোমবার, ২৫ অক্টোবর ২০২১, ১০:২১ পূর্বাহ্ন
  • Bengali Bengali English English
নোটিশ :
* ২৬ মার্চ মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উপলক্ষে দেশবাসীকে বীরযোদ্ধা অনলাইন পত্রিকার পক্ষ থেকে জানাই প্রাণ ঢালা অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা * বিভিন্ন বিভাগ, জেলা ও উপজেলাতে অভিজ্ঞ সংবাদকর্মী  আবশ্যক। আগ্রহীদের নিম্নে ঠিকানায় যোগাযোগ করার জন্য জানানো যাচ্ছে।

হোসেনপুরে কোরবানীর হাট কাঁপাতে আসছে ‘কালো মানিক’

বীরযোদ্ধা / ১৯৮
প্রকাশিত : ১:১৩ পিএম, (সোমবার) ২৮ জুন ২০২১
smart

আশরাফ আহমেদ : 

কিশোরগঞ্জের হোসেনপুর উপজেলার আড়াইবাড়িয়া ইউনিয়নের কুড়িমারা গ্রামের রুবেল মিয়া শখের বশে ব্রাহামা জাতের একটি ষাঁড়  লালন পালন শুরু করেন। নিজের খামারেই জন্ম। ভীষণ যত্ন করে বড় করেছেন। গাঢ় কালো রঙের ষাঁড়টির দৈর্ঘ্য ১০ফুট  উচ্চতা প্রায় ৫ফুট ওজন ১৩০০ কেজি বা ৩৫ মণ। আকর্ষণীয় এই ষাঁড়টি দেখতে প্রতিদিন ভিড় করছে লোকজন। তাই রুবেল মিয়া আদর করে ষাঁড়টি নাম রেখেছেন ‘কালো মানিক’। আসন্ন কোরবানির ঈদ সামনে রেখে রাজার দাম হাঁকা হচ্ছে ১৫ লাখ টাকা। ইতোমধ্যে পাইকাররা এসে ১০ থেকে ১১ লক্ষ টাকা দাম বলেছে। এই দামে বিক্রি করতে রুবল নারাজ। তিনি আরও বেশি দামে বিক্রি করবেন বলে আশা করছেন।

জানা যায়, প্রায় ৩ বছর আগে নিজের খামারে গাভী থেকে জন্ম নেয় কালো মানিক। এরপর আদর যত্নেই বড় করছেন ষাঁড়টিকে। নিজের সন্তানের মতো বড় করতে পরিশ্রম করছে পরিবারটি। কালো মানিকের জন্য বানানো হয়েছে আলাদা শেড। রাখা হয়েছে ২৪ ঘণ্টা ইলেকট্রিক ফ্যানের সুব্যবস্থা। খাবারের ব্যাপারেও আলাদা যত্ন করতে হয় নবাবের। প্রতিদিনের খাবারের তালিকায় রয়েছে সয়াবিনের খৈল, গম, ভুট্টা, ছোলা,  সবুজ ঘাস ও ফল।

কালো মানিক আকার, আকৃতি ও দেখতে অনেক সুন্দর। ব্রাহামা  গরু রোগ প্রতিরোধী। বাংলাদেশের আবহওয়ায় এই জাতের গরু খুবই মানানসই। এ জাতের গরু সাধারণত ১০০০-১৮০০ কেজি মাংস উৎপাদনে সক্ষম।

কালো মানিকের মালিক রুবেল জানান, অনেক যত্ন করে আমি আমার নবাবের তিন বছর ধরে লালন-পালন করছি। আমার ইচ্ছা কালো মানিক বাড়ি থেকেই বিক্রি করব। যেহেতু করোনা মহামারি চারদিকে ছড়িয়ে পড়েছে, তাই কোরবানির হাটে গিয়ে বিক্রির তেমন কোনো ইচ্ছা নেই আমার। তিনি আরো জানান, কালো মানিক লালন-পালন করার ক্ষেত্রে উপজেলা প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তর আমাকে বিভিন্নভাবে সহযোগিতা করেছে। নবাবকে দেখতে ও ক্রয় করতে  আশপাশের উপজেলার অনেক ক্রেতাই আসছেন। ব্যাটেবলে মিললেই বিক্রি হয়ে যাবে কালো মানিক।

উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডাঃ আব্দুল মান্নান জানান, ষাঁড়টির লালন পালনের বিষয়ে নিয়মিত পরামর্শ দেওয়া হতো। তিনি কোনো ক্ষতিকর ওষুধ প্রয়োগ ছাড়াই দেশীয় খাবার খাইয়ে ষাঁড়টিকে বড় করেছেন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর