• শনিবার, ২২ জানুয়ারী ২০২২, ০৪:৫৫ পূর্বাহ্ন
  • Bengali Bengali English English
নোটিশ :
* ২৬ মার্চ মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উপলক্ষে দেশবাসীকে বীরযোদ্ধা অনলাইন পত্রিকার পক্ষ থেকে জানাই প্রাণ ঢালা অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা * বিভিন্ন বিভাগ, জেলা ও উপজেলাতে অভিজ্ঞ সংবাদকর্মী  আবশ্যক। আগ্রহীদের নিম্নে ঠিকানায় যোগাযোগ করার জন্য জানানো যাচ্ছে।

হাটে উঠতে যাচ্ছে ৯শ কেজি ওজনের দেওয়ান বাহাদুর

বীরযোদ্ধা / ১৯৭
প্রকাশিত : ১১:২৭ এএম, (বৃহস্পতিবার) ১৫ জুলাই ২০২১

আশরাফ আহমেদ :

কিশোরগঞ্জের হোসেনপুর উপজেলার জিনারী ইউনিয়নের চরকাটি হারী গ্রামের বীরমুক্তিযোদ্ধা আব্দূল খালেক দেওয়ান শখের বশে ব্রাহামা জাতের একটি ষাঁড়  লালন-পালন শুরু করেন। নিজের গাভীর ঘরে জন্ম। ভীষণ যত্ন করে বড় করেছেন। গাঢ় কালো -সাদা রঙের ষাঁডটির দৈর্ঘ্য ৬ফুট  উচ্চতা প্রায় ৫ফুট ওজন ৯ কেজি। আকর্ষণীয় এই ষাঁড়টি দেখতে প্রতিদিন ভিড় করছে লোকজন।  এই ষাঁড়টি যখন তার সীনা টান করে দাঁড়ায় তখন দেখে মনে হয় স্বাধীনতার যুদ্ধের বীর মুক্তিযুদ্ধা। একজন দেশপ্রেমিক বীরমুক্তিযোদ্ধা ষাঁড়টি লালন পালন করে বড় করেছেন। তাই বীরমুক্তিযোদ্ধা আব্দূল খালেক আদর করে ষাঁড়টির নাম রেখেছেন ‘দেওয়ান বাহাদুর’। আসন্ন কোরবানির ঈদ সামনে রেখে রাজার দাম হাঁকা হচ্ছে ১০ লাখ টাকা। ইতোমধ্যে পাইকাররা এসে ৬ থেকে ৭ লক্ষ টাকা দাম বলেছে। এই দামে বিক্রি করতে বীরমুক্তিযোদ্ধা খালেক নারাজ। তাই অপেক্ষায় আছেন আরোও ন্যায্য মূল্যে বিক্রি করবেন।

জানা যায়, প্রায় ৩ বছর আগে নিজের  গাভী থেকে জন্ম নেয় দেওয়ান বাহাদুর। এরপর আদর-যত্নেই বড় করছেন ষাঁড়টিকে। নিজের সন্তানের মতো বড় করতে পরিশ্রম করছে পরিবারটি। দেওয়ান বাহাদুরের জন্য বানানো হয়েছে আলাদা শেড। রাখা হয়েছে ২৪ ঘণ্টা ইলেকট্রিক ফ্যানের সুব্যবস্থা। খাবারের ব্যাপারেও আলাদা যত্ন করতে হয় দেওয়ান বাহাদুরের। প্রতিদিনের খাবারের তালিকায় রয়েছে সয়াবিনের খৈল, গম, ভুট্টা, ছোলা,  সবুজ ঘাস ও ফল।

দেওয়ান বাহাদুরের আকার, আকৃতি ও দেখতে অনেক সুন্দর। ব্রাহামা  গরু রোগ প্রতিরোধী। বাংলাদেশের আবহাওয়ায় এই জাতের গরু খুবই মানানসই। এ জাতের গরু সাধারণত ১০০০-১৮০০ কেজি মাংস উৎপাদনে সক্ষম।

দেওয়ান বাহাদুরের মালিক বীরমুক্তিযোদ্ধা জানান, অনেক যত্ন করে আমি আমার দেওয়ান বাহাদুর তিন বছর ধরে লালন-পালন করছি। আমার ইচ্ছা দেওয়ান বাহাদুরকে বাড়ি থেকেই বিক্রি করব। যেহেতু করোনা মহামারি চারদিকে ছড়িয়ে পড়েছে, তাই কোরবানির হাটে গিয়ে বিক্রির তেমন কোনো ইচ্ছা নেই আমার। তিনি আরো জানান, দেওয়ান বাহাদুর লালন-পালন করার ক্ষেত্রে উপজেলা প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তর আমাকে বিভিন্নভাবে সহযোগিতা করেছে। দেওয়ান বাহাদুরকে দেখতে ও ক্রয় করতে  আশপাশের উপজেলার অনেক ক্রেতাই আসছেন। ব্যাটেবলে মিললেই বিক্রি হয়ে যাবে দেওয়ান বাহাদুর।

উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডাঃ আবদুল মান্নান জানান, ‘ষাঁড়টির লালন-পালনের বিষয়ে  নিয়মিত পরামর্শ দেওয়া হতো। তিনি কোনও ক্ষতিকর ওষুধ প্রয়োগ ছাড়াই দেশীয় খাবার খাইয়ে ষাঁড়টিকে লালন পালন করেছেন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর