• শনিবার, ২২ জানুয়ারী ২০২২, ০৫:৪৬ পূর্বাহ্ন
  • Bengali Bengali English English
নোটিশ :
* ২৬ মার্চ মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উপলক্ষে দেশবাসীকে বীরযোদ্ধা অনলাইন পত্রিকার পক্ষ থেকে জানাই প্রাণ ঢালা অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা * বিভিন্ন বিভাগ, জেলা ও উপজেলাতে অভিজ্ঞ সংবাদকর্মী  আবশ্যক। আগ্রহীদের নিম্নে ঠিকানায় যোগাযোগ করার জন্য জানানো যাচ্ছে।

সূতিয়া নদী দখলে নিয়ে চলছে মৎস্য চাষ

বীরযোদ্ধা / ১০০
প্রকাশিত : ৮:১৫ পিএম, (মঙ্গলবার) ২৩ মার্চ ২০২১

আবু রায়হান, ত্রিশাল (ময়মনসিংহ) :

ত্রিশাল উপজেলার ধানীখোলা ইউনিয়নের ওপর দিয়ে বয়ে যাওয়া সুতিয়া নদীর প্রায় ৫০ একর জমি দখলে নিয়ে সেখানে বড় আকারের পুকুর তৈরি করে পুরোদমে মৎস্য চাষ করছে এলাকার কতিপয় প্রভাবশালী ব্যক্তিরা। এ ছাড়া পর্যায়ক্রমে ওই নদীর জমি দখলে নিয়ে পুকুর কাটা অব্যাহত রেখেছেন তারা। 

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, নদীর স্বাভাবিক প্রবাহে বাধা সৃষ্টি করে কাটা হয়েছে বড় বড় পুকুর। নদীর জমি দখল করে শুধু ধানীখোলা অংশেই রয়েছে প্রায় ৩০টি পুকুর। এছাড়া নদীর ওপারে বইলর অংশেও রয়েছে বেশ কয়েকটি পুকুর।

বইলর বাঁশকুড়ি গ্রামের আব্দুল মালেক জানান, প্রভাবশালীরা প্রায় ১৫ থেকে ২০ বছর যাবত নদী দখল করে মৎস্য চাষ করছে। প্রথম নদী দখল করে মৎস্য চাষ শুরু করেছিল মৃত শামসুদ্দিন। এখন তার দেখাদেখি অনেকেই নদী দখল করে বড় বড় পুকুর খনন করে মৎস্য চাষ করছে। বহুদিন আগে স্থানীয় লোকজন নদী দখল রোধে অভিযোগ করলেও পরবর্তীতে প্রশাসন কোনো ব্যবস্থা নেয়নি।

স্থানীয় স্কুলের এক শিক্ষক জানান, প্রায় ৩০ বছর ধরে নদী দখল হয়ে আসছে। এখন দখল এমন পর্যায়ে পৌছেছে যে নদীর অস্তিত্ব বিলীন হওয়ার পথে। এভাবে চলতে থাকলে এটাকে আর নদী বলা যাবে না। মানুষের নৈতিক স্থলনই এ নদী দখলের জন্য দায়ী। প্রশাসনের উচিত নদীটি রক্ষা করা।

তবে জমি দখলের বিষয়ে একাধিক মাছচাষিদের সাথে কথা বললেও এ ব্যাপারে তারা কথা বলতে রাজি হয়নি।

স্থানীয় ভূমি সহকারী কর্মকর্তা মানিক কুমার সরকার জানান, সুতিয়া নদীর জমি দখলে নিয়ে পুকুর খননের বিষয়টি পরিদর্শন করেছেন।

ধানীখোলা ইউপি চেয়ারম্যান আছাদুল্লাহ আছাদ বলেন, নদী দখলের বিষয়ে জানতে পেরে স্থানীয় ইউপি সদস্যকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।

সহকারী কমিশনার (ভূমি) তরিকুল ইসলাম বলেন, নদী দখলের বিষয়ে মোট ৯৯ জনের একটি তালিকা হাতে পেয়েছি।

উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, আমি সরেজমিনে নদীর বেদখল হওয়া জায়গা পরিদর্শন করেছি। নদী দখলের বিষয়টি মোটামুটি নিশ্চিত। তবে কে কতটুকু নদীর জায়গা দখল করে মৎস্য চাষ করছে তার জন্য সার্ভে করার প্রয়োজন হবে। সার্ভে করার মাধ্যমে দ্রুত সময়ের মধ্যেই নদী দখলমুক্ত করা হবে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর