• মঙ্গলবার, ১৭ মে ২০২২, ১২:৪২ অপরাহ্ন
  • Bengali Bengali English English
নোটিশ :
* ২৬ মার্চ মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উপলক্ষে দেশবাসীকে বীরযোদ্ধা অনলাইন পত্রিকার পক্ষ থেকে জানাই প্রাণ ঢালা অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা * বিভিন্ন বিভাগ, জেলা ও উপজেলাতে অভিজ্ঞ সংবাদকর্মী  আবশ্যক। আগ্রহীদের নিম্নে ঠিকানায় যোগাযোগ করার জন্য জানানো যাচ্ছে।

ভালুকায় বেগুন চাষে উজ্জলের সফলতা

বীরযোদ্ধা / ৯৫
প্রকাশিত : ৪:১৩ পিএম, (বৃহস্পতিবার) ৯ ডিসেম্বর ২০২১

সোহাগ রহমান : 

ময়মনসিংহের ভালুকা উপজেলার পাঁচগাঁও গ্রামের ঢাকিরভিটা এলাকার যুবক উজ্জল মিয়া (৩২) গোল বেগুনের চাষ করে ব্যাপক সফলতা পেয়েছেন। এরফলে সংসারে এসেছে স্বচ্ছলতা আর ঘুরেছে তার ভাগ্যের চাকা।

আজ বৃহস্পতিবার সরেজমিন ঘুরে জানা যায়, ওই গ্রামের উজ্জল মিয়া খুব ছোটবেলায় পিতা আবেদ আলীকে হারিয়ে দিশেহারা হয়ে পড়েন। একমাত্র ছোট ভাইকে নিয়ে টানাপড়েন শুরু হয় তার সংসারে। জীবিকার তাগিদে বাল্য বয়সেই শুরু করেন কৃষি কাজ। চাষাবাদ করেন সৃজনাল বিভিন্ন শাকসবজির। বাড়ির আঙ্গিনাসহ আশপাশে আবাদ করেন বিভিন্ন রকম শাকসবজি। এতে কিছুটা আর্থিক সফলতা আসতে থাকে তার। পরে বাড়ির পাশেই ১৫ কাঠা জমি বৎসরে ২৮ হাজার টাকা ভাড়ায় নিয়ে সেখানে শুরু করেন গোল বেগুনের চাষ। পর্যায়ক্রমে বেগুন চাষে তিনি ব্যাপক সফলতার মুখ দেখেন। বর্তমানে তিনি তার বাগান থেকে প্রায় দুই লাখ টাকার বেগুন বিক্রি করেছেন। তিনি বেগুনের চাষাবাদের পাশাপাশি বাড়ির পাশে আঁখের চাষ ও বিভিন্ন শাকসবজির চাষ করেছেন। এসব চাষাবাদে শ্রমিকসহ তার স্ত্রী আফরোজা তাকে সহযোগিতা করেন।

কৃষক উজ্জল মিয়া বলেন, আগে অল্প জায়গায় গোল বেগুনের চাষ করেছি, এতে সফলতা পেয়েছি। পরে জমি ভাড়া নিয়ে আরো বড় পরিসরে চাষাবাদ করছি।

তিনি বলেন, গোল বেগুনের চারাগুলো নিজেই উৎপাদন করে থাকি। ফাল্গুন মাসে বেগুনের বীজ বপন করি এতে ব্যাপক চারা উৎপাদন হয়। পরে চৈত্র মাসে সেটি রোপন করি। এটি বারোমাসি চারা নয়। ঠিকমত পরিচর্যা করলে ৪০ দিনের মধ্যেই ফলন পাওয়া যায়। গেল বৈশাখ মাস থেকে এ যাবত বেগুন গাছে ফলন দিচ্ছে। এতে সার, কীটনাশক, শ্রমিক বাবদ ব্যয় হয়েছে আমার প্রায় ৮০ হাজার টাকা। বিক্রি হয়েছে প্রায় ২ লাখের মতো। আগামী দুই মাস আরও বেগুন বিক্রি করতে পারবো। এতে আরো লাভের আশা করছি।

তিনি আরও বলেন, এখনও কোনো কৃষি কর্মকর্তা আমার বাগানটি পরিদর্শন করেনি। তাছাড়া শুনেছি কৃষকদের সরকারি ভাবে সার কীটনাশকসহ বিভিন্ন সুযোগ সুবিধা দেওয়া হয়। কিন্তু আমি কোনো সুযোগ সুবিধা পাইনি। তবে আমি যদি কৃষি ঋণ পেতাম তাহলে আমার এই চাষ আরো সম্প্রসারণ করতে পারতাম। এতে আমি আর্থিকভাবে আরো লাভবান হতে পারতাম।

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা জেসমিন জাহান জানান, কৃষক উজ্জল মিয়া চাষাবাদ সম্পর্কিত যেকোনো প্রয়োজনে কৃষি অফিসে আসলে তাকে প্রয়োজনীয় পরামর্শসহ সরকারি সকল সুযোগ সুবিধা পাওয়ার ব্যবস্থা করা হবে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published.

এই বিভাগের আরও খবর