• শুক্রবার, ৩০ জুলাই ২০২১, ০৭:৫৮ পূর্বাহ্ন
  • Bengali Bengali English English
নোটিশ :
* ২৬ মার্চ মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উপলক্ষে দেশবাসীকে বীরযোদ্ধা অনলাইন পত্রিকার পক্ষ থেকে জানাই প্রাণ ঢালা অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা * বিভিন্ন বিভাগ, জেলা ও উপজেলাতে অভিজ্ঞ সংবাদকর্মী  আবশ্যক। আগ্রহীদের নিম্নে ঠিকানায় যোগাযোগ করার জন্য জানানো যাচ্ছে।

ভালুকায় পানির দামে কোরবানির পশুর চামড়া বিক্রি

বীরযোদ্ধা / ৭৮
প্রকাশিত : ৫:৪৩ পিএম, (বুধবার) ২১ জুলাই ২০২১

সোহাগ রহমান :

ময়মনসিংহের ভালুকায় পানির দামে কোরবানির বিভিন্ন পশুর চামড়া বিক্রি হচ্ছে। এতে গরীবের ‘হক’ প্রাপ্তির বিষয়টি নিয়ে নানা প্রশ্ন উঠেছে সচেতন মহলে।

প্রতিটি গরুর চাপড়া ২০০ টাকা করে হাকালেও খাঁসির চাপড়ার দামই বলছেন না ক্রেতারা। ফলে যে যানবাহন ভাড়া করে বিক্রেতা এসেছেন সেটিই বিফলে গেছে। আজ বুধবার (২১ জুলাই) ঈদের দিন বিকেলে ফুটওভার ব্রীজের নিচে চামড়া বিক্রির এমন দৃশ্য দেখে হতাশা প্রকাশ করেছেন অনেক বিক্রেতা।

সরেজমিন ঘুরে দেখা যায়, ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কের ভালুকা বাসস্ট্যান্ড ফুটওভার ব্রীজের নিচে বেচাকেনা হচ্ছে কোরবানির পশুর চাপড়া। আর সেখানেই টেক (রাখা) দেওয়া হচ্ছে চামড়াগুলোকে। বিভিন্ন স্থান থেকে একেক জন নিয়ে আসছেন কোরবানির বিভিন্ন পশুর চামড়া। দীর্ঘক্ষণ দাঁড়িয়ে চামড়া ক্রেতাদের চামড়া কেনার দৃশ্য দেখলাম। কেউ রিকশা যোগে, কেউ মোটরসাইকেলে করে, কেউবা বাইসাইকেলে আবার কেউ অটোরিকশা যোগে চামড়াগুলো সেখানে নিয়ে আসছেন। চামড়ার আকার ভেদে ক্রেতারা দর দাম করলেও এভারেজে প্রতিটি গরুর চামড়া ২০০ টাকার বেশি কিনতে চাচ্ছেনা। তাছাড়া খাঁসির চামড়াগুলো আনা হলে সেটি ধরেও দেখছেন না ক্রেতারা। বিক্রেতা চামড়া কেনার জন্য ডাক দিলেও তাতে সাড়া না দেওয়ার একটি প্রবণতা লক্ষ্য করা গেছে। প্রতিটি খাঁসির চামড়া ১০ থেকে ৩০ টাকার ঊধের্ব দিচ্ছেনা না ক্রেতারা।

ক্রেতা আবদুর রেজ্জাক জানান, চামড়ার বাজার কম। তাই আমাদেরও কম দামে কিনতে হচ্ছে। এই চামড়াগুলো কিনে তারা ময়মনসিংহে সরবরাহ করেন বলে জানিয়েছেন।

চামড়া বিক্রেতা বর্তা গ্রামের মনির হোসেন জানান, রিকশা পাইনি বাইসাইকেল যোগে গরুর চামড়া নিয়ে আসলাম। ক্রেতা পাচ্ছিনা। আগে এলাকা থেকে ক্রেতারা চামড়া কিনতো, এখন আর ক্রেতারা এলাকায় যাচ্ছেনা। ১ লাখ ৬৫ হাজার টাকার ষাড় গরুর চামড়া, বিক্রি করলাম মাত্র ২২৫ টাকায়। আমার মত এমন অনেকেই আছেন চামড়া রিকশা কিংবা অটো যোগে নিয়ে এসে বিপাকে পড়েছেন। যে দামে বিক্রি হচ্ছে তাতে রিকশা কিংবা অটোর ভাড়াই দেওয়া যাবেনা। এই টাকা এতিম- গরীবদের দিব কি।

আরেক বিক্রেতা মোস্তফা বলেন, কয়েক বছর যাবত চামড়ার কোনো দাম পাওয়া যাচ্ছেনা। কোরবানির পশুর চামড়ার টাকাগুলো গরীবের হক। তাই কম টাকায় চামড়া কিনে গরীবের হক নষ্ট করা হচ্ছে। এটি প্রশাসনের হস্তক্ষেপ প্রয়োজন। সরকার চামড়ার দাম নির্ধারণ করে দিয়েছেন। কিন্তু এর পরও কিছু অসাধু ব্যবসায়ী সিন্ডিকেট এবং কৃত্রিম সমস্যা তৈরি করে কম দামে চামড়া কিনছে, আর বাধ্য করছেন বিক্রেতাদেরকে কম দামে চামড়া বিক্রি করতে। জরুরী ভিত্তিতে এটি মনিটরিং করে এর একটি সমাধান করা প্রয়োজন বলে মনে করেন এই বিক্রেতা।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর