• সোমবার, ২৯ নভেম্বর ২০২১, ০৯:৪৫ পূর্বাহ্ন
  • Bengali Bengali English English
নোটিশ :
* ২৬ মার্চ মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উপলক্ষে দেশবাসীকে বীরযোদ্ধা অনলাইন পত্রিকার পক্ষ থেকে জানাই প্রাণ ঢালা অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা * বিভিন্ন বিভাগ, জেলা ও উপজেলাতে অভিজ্ঞ সংবাদকর্মী  আবশ্যক। আগ্রহীদের নিম্নে ঠিকানায় যোগাযোগ করার জন্য জানানো যাচ্ছে।

ভালুকায় ঝুঁকি নিয়ে চলছে মাদরাসায় পাঠদান

বীরযোদ্ধা / ৬৪
প্রকাশিত : ৭:২০ পিএম, (সোমবার) ৪ অক্টোবর ২০২১

সোহাগ রহমান :

ময়মনসিংহের ভালুকা উপজেলার মল্লিকবাড়ী গ্রামে অবস্থিত মল্লিকবাড়ী ইসলামিয়া দাখিল মাদরাসাটিতে ঝুঁকি নিয়ে চালানো হচ্ছে শিক্ষার্থীদের পাঠদান কার্যক্রম। টিনশেড মাটির দেয়াল বেষ্টিত ওই গৃহটি যেকোনো সময় ধসে পরার শঙ্কা করছেন অধ্যয়নরত শিক্ষার্থীরা।

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, ঐতিহ্যবাহী মল্লিকবাড়ী গ্রামে ১৯৭২ সালে স্থানীয় আলহাজ্ব হাফেজ মাওলানা কমর উদ্দিনের প্রচেষ্টায় ওই দ্বীনি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানটি প্রতিষ্ঠিত হয়। এরপর ছনের চালা আর ধাড়ির বেড়ায় শুরু হওয়া মাদরাসা গৃহটি পর্যায়ক্রমে কাঁচা মাটির দেয়াল ও টিনের ছাউনি দিয়ে অদ্যবধি শিক্ষার্থীদের পাঠদান কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে। করোনা মহামারি কালে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে দীর্ঘ বিরতির পর সম্প্রতি মাটির তৈরি মাদরাসা গৃহটি জরাজীর্ণ ও মাটির প্রলেপ খসে গিয়ে ফাটল ধরায় মারাত্মক ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় পরিণত হয়েছে। প্রাকৃতিক দুর্যোগ কিংবা আকষ্মিকভাবে যেকোনো সময় মাদরাসা গৃহের দেয়ালটি ধসে ক্লাশ রুমে পড়ে মারাত্মক দূর্ঘটনা ঘটার আশঙ্কা বিরাজ করছে।

মাদরাসার বিভিন্ন শ্রেণির একাধিক শিক্ষার্থীরা বলেন, মাদরাসার গৃহের মাটির দেয়ালের বিভিন্ন স্থানে ফাটল ও মাটির পলেস্টার খসে পড়েছে। ধস আতঙ্ক নিয়ে ক্লাশ করতে হয় আমাদের। দূর্ঘটনায় হতাহতের পরিণতি দেখার আগেই যদি স্থানীয় জনপ্রতিনিধিসহ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ আমাদের এই মাদরাসায় একটি নতুন ভবনের ব্যবস্থা করতেন তাহলে নিশ্চিন্তে আমরা ক্লাশ করতে পারতাম।

মাদরাসার সুপার আলহাজ্ব আতাউল গনি মাইনুদ্দিন বলেন, মাদরাসা গৃহটি সংস্কারের অভাবে জরাজীর্ণ হয়ে পড়েছে। তাছাড়া মাটির গৃহের কক্ষগুলো দেয়াল পুরোনো হওয়ায় বিভিন্ন স্থানে ফাটল, পলেস্টার খসে যাওয়া, দরজা-জানালা ভাঙাচূড়া হওয়া একমতো নিরাপত্তাহীনতার মধ্য দিয়ে শিক্ষার্থীদের পাঠদান কার্যক্রম চালানো হচ্ছে। পূর্বে বিষয়টি আমি লিখিত ভাবে উপজেলা প্রশাসন ও স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদেরকে জানিয়েছি। এছাড়া গণমাধ্যমে বিষয়টি প্রকাশ পেলে মাননীয় এমপিসহ ঊর্ধ্বতন মহলের নজরে আসবে এবং দ্রুত তাঁরা এর প্রতিকারে ব্যবস্থা নিবেন বলে প্রত্যাশা করছি।

মাদরাসা পরিচালনা কমিটির সভাপতি জসিম উদ্দিন আহমেদ বলেন, প্রতিষ্ঠানটির বিভিন্ন সমস্যার কথা মাননীয় এমপি মহোদয়কে জানিয়েছি। তিনি জানিয়েছেন বন্যার্ত মানুষের আশ্রয়ন কেন্দ্র হিসেবে চারতলা একটি ভবন সেখানে করা হবে। পাশাপাশি ওই ভবনেই মাদরাসার শিক্ষার্থীদের পাঠদান কার্যক্রম চালানো হবে। কবে নাগাদ এর কাজ শুরু হবে সেটি বলতে পারছিনা।

উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার নজরুল ইসলাম বলেন, আপনার মাধ্যমে মাদরাসা গৃহের ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থার কথা জানতে পারলাম। আমি শীঘ্রই মাদরাসাটি পরিদর্শন করবো এবং গৃহের ব্যাপারে মাননীয় এমপি স্যারের সঙ্গে কথা বলবো।

উপজেলা নির্বাহী অফিসার সালমা খাতুন বলেন, মাদরাসা গৃহটি ঝুঁকিপূর্ণ কিনা সেটির খবর নিশ্চিত হয়ে আমার ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সঙ্গে এর ব্যাপারে আলোচনা করবো।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর