• মঙ্গলবার, ১৭ মে ২০২২, ১২:৪৭ অপরাহ্ন
  • Bengali Bengali English English
নোটিশ :
* ২৬ মার্চ মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উপলক্ষে দেশবাসীকে বীরযোদ্ধা অনলাইন পত্রিকার পক্ষ থেকে জানাই প্রাণ ঢালা অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা * বিভিন্ন বিভাগ, জেলা ও উপজেলাতে অভিজ্ঞ সংবাদকর্মী  আবশ্যক। আগ্রহীদের নিম্নে ঠিকানায় যোগাযোগ করার জন্য জানানো যাচ্ছে।

বদলগাছীতে মাদরাসার শ্রেণিকক্ষ ভেঙ্গে দোকান ঘর নির্মাণ!

বীরযোদ্ধা / ৮৩
প্রকাশিত : ৩:৩৫ পিএম, (সোমবার) ২৮ জুন ২০২১

আহসান হাবীব শিপলু :

একটি মাদরাসার শ্রেণিকক্ষ ভেঙ্গে দোকান ঘর নির্মাণ করা হচ্ছে।  করোনা পরিস্থিতিতে শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তার কথা বিবেচনা করে প্রায় সোয়া এক বছর থেকে দেশের সকল শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ। এই সুযোগে শিক্ষার্থীদের শ্রেণিকক্ষ ভেঙ্গে দোকান ঘর নির্মাণ করছেন এক মাদরাসার সুপার। ঘটনাটি ঘটেছে নওগাঁর বদলগাছী উপজেলার কোলা ইউনিয়নের কেশাইল নূরানীয়া দাখিল মাদরাসায়।

সম্প্রতি সরেজমিনে দেখা গেছে, বদলগাছী-আক্কেলপুর সড়কের পাশে কেশাইল বাজারে অবস্থিত কেশাইল নূরানীয়া দাখিল মাদরাসা। এই মাদরাসার রাস্তা সংলগ্ন তিনটি শ্রেণিকক্ষ ভেঙ্গে দোকারঘর নির্মাণের কাজ চলছে। শ্রেণিকক্ষগুলো ভেঙ্গে সাতটি দোকানঘর নির্মাণ করা হবে। মাদরাসার অফিস বন্ধ। তবে দুজন নির্মাণ শ্রমিক কাজ করছিলেন।

তারা জানিয়েছেন, সবুজ নামের একজন তাদেরকে এই শ্রেণিকক্ষ ভেঙ্গে দোকানঘর নির্মাণের কাজ দিয়েছে। সবুজ এই মাদরাসার কেউ না। সে কীটনাশকের দোকান করার জন্য শ্রেণিকক্ষটি ভেঙ্গে দোকানের উপযোগী করছে।

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, ১৯৮৭ সালে প্রতিষ্ঠিত এই মাদরাসাটি ২০০২ সালে এমপিও ভুক্ত হয়। ১৬ জন শিক্ষকসহ মোট ২০ জন স্টাফ রয়েছে। প্রথম শ্রেণি থেকে দশম শ্রেনি পর্যন্ত মোট ছাত্র-ছাত্রী ১৫০ জন। মাদরাসার সুপার মোঃ মোহসীন আলী এবং ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি আব্দুল জলিলের সাথে এ বিষয়ে কথা বলার জন্য বিভিন্ন নম্বর থেকে একাধিকবার ফোন করলেও তারা রিসিভ করেননি। পরবর্তীতে তাদের ফোনে মেসেজ করেও তাদের কোনো সাড়া পাওয়া যায়নি। একাধিকবার মাদরাসায় গিয়েও তাদের দেখা পাওয়া যায়নি।

মাদরাসার আশপাশের দোকানিরা জানিয়েছেন, শ্রেণিকক্ষ ভেঙ্গে দোকানঘর নির্মাণ করছে মাদরাসার সুপার। বিদ্যুৎ বিল পরিশোধ না করায় সম্প্রতি বিদ্যুৎ সংযোগ কেটে দেওয়া হয়েছে।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে ঐ মাদরাসার এক শিক্ষক বীরযোদ্ধা ডট কমকে বলেন, মাদরাসার নিয়ম শৃঙ্খলা বলতে কিছুই নেই। শ্রেণিকক্ষ ভাঙ্গার ব্যাপারে অনেকবার নিষেধ করা হয়েছে। কিন্তু কে শোনে কার কথা।

ইউএনও আলপনা ইয়াসমিন বীরযোদ্ধা ডট কমকে বলেন, ‘আমি তদন্ত করে বিধি মোতাবেক ব্যবস্থা গ্রহণ করবো।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published.

এই বিভাগের আরও খবর