• সোমবার, ২৫ অক্টোবর ২০২১, ০১:৫২ পূর্বাহ্ন
  • Bengali Bengali English English
নোটিশ :
* ২৬ মার্চ মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উপলক্ষে দেশবাসীকে বীরযোদ্ধা অনলাইন পত্রিকার পক্ষ থেকে জানাই প্রাণ ঢালা অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা * বিভিন্ন বিভাগ, জেলা ও উপজেলাতে অভিজ্ঞ সংবাদকর্মী  আবশ্যক। আগ্রহীদের নিম্নে ঠিকানায় যোগাযোগ করার জন্য জানানো যাচ্ছে।

ধোবাউড়ায় ১০ বছর ধরে চাকুরি না করে বেতন নিচ্ছেন কমিউনিটি ক্লিনিকের সিএইচসিপি

বীরযোদ্ধা / ৫৯
প্রকাশিত : ২:০০ পিএম, (বৃহস্পতিবার) ২৯ জুলাই ২০২১

ধোবাউড়া (ময়মনসিংহ) প্রতিনিধি : 

ময়মনসিংহের ধোবাউড়ায় ১০ বছর ধরে চাকুরী না করেই সরকারী বেতন নিচ্ছেন কমিউনিটি ক্লিনিকের সিএইচসিপি। ধোবাউড়া সদর ইউনিয়নের তিময়ী বনোয়ারী নামে এক সিএইচসিপি কোনদিন কমিউিনিটি কিøনিকের বারাান্দায় না গিয়েও তিনি সরকারী বেতনসহ সকল সুবিধা ভোগ করছেন। সংশ্লিষ্ট বিভাগের কর্মকর্তাকে মেনেজ করে তিনি বছরের পর বছর চাকুরীতে ফাঁকি দিয়ে যাচ্ছেন।

ময়মনসিংহের সীমান্তবর্তী অবহেলিত উপজেলা ধোবাউড়া। এখানে স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স রয়েছে একটি। বিভিন্ন সমস্যায় জোড়া তালি দিয়ে চলে স্বাস্থ্য সেবা। ছোটখাটো অনেক সমস্যায় সাধারণ খেটে খাওয়া অসংখ্য মানুষ নিজের বাড়ির পাশে কমিউিনিটি ক্লিনিকে সেবা নিয়ে থাকেন।প্রান্তিক পর্যায়ে গ্রামীণ জনগোষ্ঠীর স্বাস্থ্যসেবার লক্ষে মানুষের দোড়গোড়ায় চিকিৎসা সেবা পৌছে দিতে প্রধানমন্ত্রীর স্বপ্নের বাস্তবায়ন কমিউনিটি ক্লিনিক। দেশের আনাচে কানাচে প্রায় ১৪ হাজার কমিউনিটি ক্লিনিক সাধারণ খেটে খাওয়া মানুষকে স্বাস্থ্যসেবা দিয়ে যাচ্ছে। করোনার মাহামারিতেও কমিউনিটি ক্লিনিকে সেবা দেওয়ার নির্দেশনা রয়েছে। ২৭ প্রকার ওষুধের মাধ্যমে নবজাতকের স্বাস্থ্যসেবা, গর্ভবতী মহিলা ও প্রসব পরবর্তী মহিলাদের দের প্রয়োজনীয় ওষুধপত্র সহ স্বাস্থ্যসেবা ও বিশেষ পরামর্শ, কিশোরী মেয়েদের টিটি টিকা ও নবজাতকের টিকা, সাধারণ রোগী দের প্রাথমিক চিকিৎসা, কিছু কিছু ক্লিনিকে ছোট খাটো কাটাছেঁড়া সেলাই করা হয়, করোনার লক্ষণ চিহ্নিতসহ জটিল রোগীদের দ্রুত স্বাস্থ্যসেবা পাওয়ার জন্যে উপজেলা ও জেলা হাসপাতালে রেফার্ড করা। এসব জরুরী সেবা কমিউনিটি ক্লিনিক থেকে দেওয়া হয়ে থাকে।

ধোবাউড়া উপজেলায় মোট ২৪ টি কমিউিনিটি ক্লিনিক রয়েছে। এর মাঝে সিএইচসিপি নেই এমন ক্লিনিক থাকলেও তিময়ী বনোয়ারীকে অদৃশ্য কারনে পোষ্টিং দেওয়া হয়না। এতে চিকিৎসা সেবা বঞ্চিত হচ্ছে সাধারণ মানুষ। করোনা মহামারীতে জরুরী স্বাস্থ্যসেবায় প্রচুর জনবলের দরকার হলেও তিময়ী বনোয়ারী বাড়িতেই বসে থাকেন। মাঝে মাঝে হাসপাতালে বেড়াতে এসে খোশগল্প আর হাসি আনন্দ করে চলে যান। দেবাল কমিউনিটি ক্লিনিকে তিনি দুই বছর দায়িত্বে ছিলেন। দুই বছরে দুইদিন অফিস করেছেন কি না কেউ বলতে পারেননি। ২০১০ সালের জুন মাসে তিনি সিএইচসিপি হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন।এরপর থেকে বসে বসে বেতন নিচ্ছেন। তার স্বামী একটি জাতীয় দৈনিক পত্রিকার স্বাস্থ্য মন্ত্রনালয়ের বিট করার সুবাধে ক্ষমতার দাপট দেখিয়ে চাকুরী করেন না। কিন্তু বর্তমানে তার স্বামীকে পত্রিকা থেকে বিতারিত করা হলেও এখনও ক্ষমতার দাপট দেখিয়ে কর্মস্থলে আসেন না তিময়ী বনোয়ারী।

এ বিষয়ে সিএইচসিপি তিময়ী বনোয়ারীর কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ইপিআই দায়িত্বে রয়েছেন এবং এখন তিনি ছুটিতে আছেন ।

এ ব্যাপারে ধোবাউড়া স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা আবু হাসান শাহিন জানান, খুব শীঘ্রই এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিবেন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর