• রবিবার, ২৪ অক্টোবর ২০২১, ১১:৫৩ অপরাহ্ন
  • Bengali Bengali English English
নোটিশ :
* ২৬ মার্চ মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উপলক্ষে দেশবাসীকে বীরযোদ্ধা অনলাইন পত্রিকার পক্ষ থেকে জানাই প্রাণ ঢালা অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা * বিভিন্ন বিভাগ, জেলা ও উপজেলাতে অভিজ্ঞ সংবাদকর্মী  আবশ্যক। আগ্রহীদের নিম্নে ঠিকানায় যোগাযোগ করার জন্য জানানো যাচ্ছে।

ত্রিশালে প্রতি কেজি তরমুজের দাম ৮০ টাকা, দেখার কেউ নেই

বীরযোদ্ধা / ৩৬৮
প্রকাশিত : ৪:৩৭ পিএম, (সোমবার) ২৬ এপ্রিল ২০২১

আবু রাইহান :

ময়মনসিংহের ত্রিশাল উপজেলার বিভিন্ন বাজারে চোখে পড়ছে গ্রীষ্মের রসালো ফল তরমুজ। ক্রেতাদের আগ্রহও বেশ। কিন্তু তরমুজের বাজারে যেন আগুন, চড়া দামে বিক্রি হচ্ছে তরমুজ। প্রতিটি তরমুজ ৭০ থেকে ৮০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। ফলে একেকটি তরমুজ ৭০০ থেকে ৮০০ টাকা করে কিনছে ক্রেতারা।

খুচরা ব্যবসায়ীরা বলছেন পাইকারি পর্যায়ে দাম বেশি হওয়ায় খুচরা বাজারেও বেশি দামে বিক্রি করতে হচ্ছে। আর পাইকাররা বলছেন পরিবহন খরচ বেড়ে যাওয়ায় দাম একটু বেশি রাখা হচ্ছে। দামের কারণে অনেকে ফলটির স্বাদ নিতে পারছেন না। তারপরও বিক্রি নিয়ে সন্তুষ্ট বিক্রেতারা।

তাপমাত্রা বৃদ্ধির পাশাপাশি রমজানকে সামনে রেখে তরমুজের দাম কিছুটা বাড়তে পারে। তবে অনাকাঙ্খিত তরমুজের দাম আদায়ের ঘটনা নিয়ে ক্রেতা সাধারণের মাঝে দেখা দিয়েছে মিশ্র প্রতিক্রিয়া। অনেকেই বলছে হাটবাজার মনিটরিংয়ের ব্যবস্থা না থাকায় নিত্যপণ্যের পাশাপাশি মৌসুমী ফলের দাম বাড়িয়ে নেওয়া হচ্ছে।

ত্রিশাল পৌর এলাকার বাসিন্দা মাহবুব আলম জানান, এই প্রথমবার কেজি ধরে তরমুজ কিনলাম। এই মাঝারি আকারের তরমুজের (তরমুজ দেখিয়ে) দাম নিয়েছে ৭২০ টাকা। ত্রিশাল উপজেলায় তরমুজের ব্যাপক চাহিদাকে পুঁজি করে কতিপয় অসাধু মৌসুমী ব্যবসায়ীরা ইচ্ছামত তরমুজের দাম বাড়িয়ে দিয়ে অতিরিক্ত ফায়দা লুটছে বলে অভিযোগ উঠেছে।

ত্রিশাল পৌরসভার ব্যস্ততম বাসস্ট্যান্ড, গোহাটা মোড়, উপজেলার ধানীখোলা বাজার, বৈলর, কাঁঠাল, বগারবাজার, রামপুর বাজারসহ বিভিন্ন হাটবাজার ঘুরে ক্রেতা বিক্রেতা সাধারণের সাথে কথা বলে জানা যায়, ব্যবসায়ীরা তরমুজ ৭০-৮০ টাকা কেজি ধরে বিক্রি করছেন। ছোট আকারের একটি তরমুজের ওজন ৫-৬ কেজি। ছোট আকারের একটি তরমুজের দাম হাঁকা হচ্ছে ৪৫০ টাকা। যা চিরাচরিত নিয়মে বিক্রি হয়ে আসছিল ৫০ টাকা দরে। বড় সাইজের এক একটি তরমুজের দাম আদায় করা হচ্ছে ৭ থেকে ৮শ’ টাকা। ব্যবসায়ীরা দাবি করছেন চাহিদার তুলনায় সরবরাহ কম থাকার কারণে তরমুজের দাম কিছুটা বেড়েছে।

ধানীখোলা ইউনিয়নের তরমুজ ব্যবসায়ী সাইদুল ইসলাম জানায়, আগে এখানে কিছু কিছু তরমুজের আবাদ হলেও বৈরী আবহাওয়ার কারণে উৎপাদিত তরমুজের সাইজ ছিল ছোট ও মাঝারি। তরমুজ চাষে জড়িতরা চাষিরা তরমুজ উৎপাদন খাতে মাথার ঘাম পায়ে ফেলে অতিরিক্ত টাকা ব্যয় করেও যথাযথ দাম পায়নি। যে কারণে স্থানীয়রা তরমুজ চাষে আগ্রহ হারিয়ে ফেলেছে।

ত্রিশাল পৌর এলাকার তরমুজ ব্যবসায়ী রফিকুল ইসলাম জানায়, দেশের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে তরমুজ চড়ামূল্যে ক্রয় করে পরিবহন ও শ্রমিকের মজুরী নিয়ে বাজারজাত করতে গিয়ে তুলনামূলক ভাবে দাম বাড়িয়ে নিতে হয়। তা না হলে লাভের বদলে লোকসানের ঘানি টানতে হবে।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ মোস্তাফিজুর রহমান জানান, পবিত্র রমজান মাসে সবধরনের নিত্যপণ্য সহনীয় পর্যায়ে রাখার জন্য নিয়মিত হাটবাজার মনিটরিং করা হবে। ইতোমধ্যে ব্যবসায়ীদের মূূল্য তালিকা টানিয়ে রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর