• বৃহস্পতিবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২১, ০৯:০৫ অপরাহ্ন
  • Bengali Bengali English English
নোটিশ :
* ২৬ মার্চ মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উপলক্ষে দেশবাসীকে বীরযোদ্ধা অনলাইন পত্রিকার পক্ষ থেকে জানাই প্রাণ ঢালা অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা * বিভিন্ন বিভাগ, জেলা ও উপজেলাতে অভিজ্ঞ সংবাদকর্মী  আবশ্যক। আগ্রহীদের নিম্নে ঠিকানায় যোগাযোগ করার জন্য জানানো যাচ্ছে।

ত্রিশালে অতিরিক্ত টোল আদায়ের অভিযোগ, ধান ক্রয়-বিক্রয় বন্ধ

বীরযোদ্ধা / ৫৪
প্রকাশিত : ৭:১০ পিএম, (বুধবার) ৯ জুন ২০২১

আবু রাইহান, ত্রিশাল (ময়মনসিংহ) :

ত্রিশালে অতিরিক্ত টোল আদায়ের অভিযোগে ধান ক্রয়-বিক্রয় বন্ধ রেখেছে উপজেলার কাঁঠাল ইউনিয়নের কালীর বাজারের ধান ব্যবসায়ীরা।

জানা যায়, বাজারের ইজারাদার বছরের পর বছর ধরে বিনা সরকারী চার্টে মনগড়া টোল আদায় করে আসছে ধান ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে।

অতিরিক্ত টোল আদায় বন্ধের দাবিতে গত শুক্রবার থেকে প্রায় ২সপ্তাহ ধরে ধান ক্রয়-বিক্রয় বন্ধ রেখেছে ধান ব্যবসায়ীরা।

ব্যবসায়ী মহল তাদের ওপর চাপিয়ে দেওয়া অতিরিক্ত টোল বন্ধে উদ্যোগী হতে কালীর বাজার বণিক সমিতির সভাপতির কাছে একটি আবেদন জমা দিয়েছে বলেও জানা যায়।

স্থানীয় শরীফ আহমেদ বলেন, ব্যবসায়ীদের ওপর চাপিয়ে দেওয়া অতিরিক্ত টোল না দিলে তাদেরকে নানান সময় অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ ও মারধরও করতো বাজারের ইজারাদারের লোকজন৷

কালীর বাজার বণিক সমিতির সভাপতি রফিকুল ইসলাম রফিক জানান, ইজারাদার কামরুল হাসান নয়ন বস্তা প্রতি ১০টাকা টোল আদায় করছেন। এছাড়া ব্যবসায়ীদের আরও তিনস্তরে টোল দিতে হয়ে। বাজার পরিষ্কার, সরকারী ও বস্তা প্রতি ঘর থেকে বিক্রি। অতিরিক্ত টোল আদায়ের প্রতিবাদে ব্যবসায়ীরা ২ সপ্তাহ ধরে ধান কেনা-বেঁচা বন্ধ রেখেছে। প্রতিকার চেয়ে এ বিষয়ে ব্যবসায়ীদের আজ একটি আবেদন ইউএনও বরাবর দেয়ার কথা রয়েছে বলেও তিনি জানান।

কালীর বাজারের ইজারাদার কামরুল হাসান নয়ন অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, আমি ১৫ বছর ধরে এই বাজারের ইজারাদার। টোল আদায়ের সরকারী যে রেইট তার থেকেও কম টোল আদায় করি আমি। এটা নির্বাচনী জেরে আমার বিরুদ্ধে একটা অপপ্রচার। বণিক সমিতির সভাপতি আমার কাছে মাসে ২০ হাজার টাকা চেয়েছিল, দেইনি। তার প্রেক্ষিতেই ব্যবসায়ীদের দিয়ে এসব করানো হচ্ছে। এই বিষয়ে ইউএনও বরাবার একটি আবেদনও দেওয়া হয়েছে।

এ বিষয়ে কালীর বাজার বণিক সমিতির প্রধান উপদেষ্টা ত্রিশাল উপজেলা আওয়ামীলীগের মুখপাত্র ফজলে রাব্বির কাছে জানতে চাওয়া হলে তিনি বলেন, ব্যবসায়ীগন সম্মিলিত স্বাক্ষর সহ একটি আবেদন দিয়েছে। তাদের সাথে আমাদের মতবিনিময়ও হয়েছে। তারা আমাদের জানিয়েছে তাদের ওপর চাপিয়ে দেওয়া এই অতিরিক্ত টোল আদায় বন্ধে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ না নিলে তাদের এই ক্রয়-বিক্রয় বন্ধ থাকবে।

সরকারী আইন অনুযায়ী টোল বা পার্শ^বর্তী বাজার গুলোর সাথে মিল রেখে টোল আদায় করলে তাদের টোল দিতে কোনো সমস্যা নেই। পার্শবর্তী বাজার গুলোতে যেভাবে টোল আদায় হচ্ছে সে অনুযায়ী টোল নিলে তারা তাদের নেয়া এই কর্মসূচি প্রত্যাহার করে ব্যবসায় ফিরবেন। তিনি আরও বলেন, আমরা ইজারাদারের সাথে কথা বলে এবিষয়ে একটি সমাধানের পথ খোঁজে বের করা চেষ্টা করছি।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, এ বিষয়ে ইাজারাদার থেকে বণিক সমিতির সভাপতির বিরুদ্ধে একটি লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। তবে অতিরিক্ত টোল আদায়ের বিষয়ে বণিক সমিতির সভাপতির কাছ থেকে এখনো লিখিত কোন অভিযোগ পায়নি। সমাধানে স্থানীয়দের উদ্যোগে একটি চেষ্টা চলছিল। যদি সমাধান না হয় তবে আগামী শুক্রবারের (হাঁটের দিন) আগেই এই সমস্যা সমাধানে একটি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর