• রবিবার, ২৪ অক্টোবর ২০২১, ১১:৪৮ অপরাহ্ন
  • Bengali Bengali English English
নোটিশ :
* ২৬ মার্চ মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উপলক্ষে দেশবাসীকে বীরযোদ্ধা অনলাইন পত্রিকার পক্ষ থেকে জানাই প্রাণ ঢালা অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা * বিভিন্ন বিভাগ, জেলা ও উপজেলাতে অভিজ্ঞ সংবাদকর্মী  আবশ্যক। আগ্রহীদের নিম্নে ঠিকানায় যোগাযোগ করার জন্য জানানো যাচ্ছে।

ড্রেজার ব্যবসাকে কেন্দ্র করে বন্দরে যুবক খুন

বীরযোদ্ধা / ২০
প্রকাশিত : ৯:৩৮ পিএম, (বৃহস্পতিবার) ৮ এপ্রিল ২০২১

সিদ্ধিরগঞ্জ (নারায়ণগঞ্জ) প্রতিনিধি :

বন্দরের মদনপুরে ড্রেজার ব্যবসাকে কেন্দ্র করে খুন হয়েছেন জুয়েল (২৬) নামে এক যুবক।

বুধবার (৭ এপ্রিল) রাত অনুমান সাড়ে ৯টার দিকে সাহেরা গার্ডেনের পাশে প্রতিপক্ষরা গুলি করে ও কুপিয়ে হত্যা করে বলে নিহতের পরিবার অভিযোগ করেছে।

ঘটনার পর থেকে এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ অবস্থান নেয়। এর আগে ঘটনার রাতেই আহত অবস্থায় জুয়েলকে উদ্ধার করে স্বজনরা স্থানীয় একটি হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার পথেই তার মৃত্যু হয়।

নিহত যুবক স্থানীয় মোঃ আনোয়ার হোসেনের ছোট ছেলে। গত দুই মাস আগে প্রবাস থেকে ছুটিতে দেশে এসেছিল বলে জানায় নিহতের পরিবার।

অন্যদিকে অভিযুক্তরা কাঁচপুরের লিটন খান নামে এক ব্যক্তির সাথে ড্রেজারের ব্যবসা করছে বলে জানান নিহতের পরিবার।

নিহতের বড় ভাই সোহেল বলেন, অভিযুক্তরা শফিকুল ইসলাম খাঁন (লিটন)’র সাথে ড্রেজারের ব্যবসা করে আসছে। সন্ত্রাসীরা আমার ভাইকে হত্যা করে কাঁচপুর এলাকার ড্রেজার সন্ত্রাসী শফিকুল ইসলাম খাঁন (লিটন)’র কাছে গিয়ে আশ্রয় নেয়। লিটন যদি এ এলাকায় ড্রেজার না দিতো তাহলে আমার ভাই মারা যেত না। আমার ভাইয়ের খুনিদের সাথে লিটনের সখ্যতা রয়েছে।

তিনি আরও বলেন, বিগত দুই মাস যাবৎ শাহজালাল, আলীম ও ইলিয়াছের সাথে ড্রেজারের ব্যবসা নিয়ে দ্বন্দ চলছিল। বিভিন্ন সময় নানা হুমকিও প্রদান করেছে তারা। তাছাড়া চলমান এই বিরোধ স্থানীয় গন্যমান্য ব্যক্তিদের নিয়ে বসে মিমাংসাও করা হয়েছিল। কিন্তু পরিকল্পিতভাবে অভিযুক্তরা আমার ছোট ভাই ও আমার ওপর ঘটনার রাতে হামলা করে। আশপাশের লোকজনের সহযোগিতায় আমি বেঁচে গেলেও আমার ছোট ভাই সোহেলকে তারা পেটে গুলি করে এবং বা হাত কুপিয়ে কেটে ফেলে। এতে আমার ভাইয়ের মৃত্যু হয়। আমরা প্রশাসনের ঊধর্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে উপযুক্ত বিচার চাই।

এদিকে বৃহস্পতিবার সকাল থেকেই এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করছে। দুপুরে অভিযুক্তদের বাড়িতে আগুনে জ্বালিয়ে দেওয়া হয়। পরে ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা এসে আগুন নেভায়। বিকেলে এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত ঘটনাস্থলে পুলিশ মোতায়েন ছিল।

ঘটনা সম্পর্কে জানতে বন্দর থানার অফিসার ইনচার্জকে ফোন করা হলে তিনি ফোন রিসিভ করেনি।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর