• সোমবার, ২৯ নভেম্বর ২০২১, ০৮:৫০ পূর্বাহ্ন
  • Bengali Bengali English English
নোটিশ :
* ২৬ মার্চ মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উপলক্ষে দেশবাসীকে বীরযোদ্ধা অনলাইন পত্রিকার পক্ষ থেকে জানাই প্রাণ ঢালা অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা * বিভিন্ন বিভাগ, জেলা ও উপজেলাতে অভিজ্ঞ সংবাদকর্মী  আবশ্যক। আগ্রহীদের নিম্নে ঠিকানায় যোগাযোগ করার জন্য জানানো যাচ্ছে।

টঙ্গীবাড়ীতে প্রশাসনের গেইটের সামনেই বিক্রি হয় জাটকা

বীরযোদ্ধা / ৫৬
প্রকাশিত : ২:৩৭ পিএম, (মঙ্গলবার) ৯ মার্চ ২০২১

মুন্সিগঞ্জ প্রতিনিধি

মুন্সিগঞ্জের টঙ্গিবাড়ী থানার সামনে দিয়ে পলিথিনে ভরে হাতে ঝুলিয়ে প্রকাশ্যে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে বিক্রি নিষিদ্ধ জাটকা ইলিশ। এ ছাড়া টঙ্গিবাড়ী প্রশাসনিক ভবনের গেইটের সামনে প্রকাশ্যে চলছে জাটকা বিক্রি।

মঙ্গলবার (৯ মার্চ) সন্ধ্যার দিকে দেখা যায়, কতক ক্রেতা পলিথিনে জাটকা ইলিশ ভরে হাতে ঝুলিয়ে থানার সামনে দিয়ে নিয়ে যাচ্ছে। তাদের জিজ্ঞাসা করা হলে তারা জানায়, থানার সামনের বাজার হতে এগুলো কিনেছেন। তাদের নাম জিজ্ঞাসা করলে তারা নাম বলতে রাজি হয়নি। তবে তারা আলু তোলার জন্য নেত্রকোনা জেলা হতে মুন্সিগঞ্জে এসেছেন বলে জানান।

এদিকে টঙ্গিবাড়ী উপজেলা প্রশাসনের মূল ফটকে চলছে প্রকাশ্যে জাটকা ইলিশ বিক্রি। সোমবার রাত ৯টার দিকে সেখানে পসরা সাজিয়ে নিষিদ্ধ জাটকা ইলিশ বিক্রি করতে দেখা যায়।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কপিতয় ব্যক্তি জানান, প্রায় রাতে এখানে জাটকা বিক্রি হয়। মাঝে মাঝে খুব ভোরেও এইস্থানে জাটকা বিক্রি হতে দেখা যায়। তবে টঙ্গিবাড়ী উপজেলার হাসাইল মাছ ঘাট থেকে একই দিন মঙ্গলবার পরিত্যক্ত অবস্থায় ১ মণ জাটকা ইলিশ উদ্ধার করেছে উপজেলা মৎস্য অধিদপ্তর। ভোর ৭ টায় হাসাইল মাছ ঘাটে অভিযান পরিচালনার সময় অসাধু জাটকা ব্যবসায়ীরা টঙ্গিবাড়ী উপজেলা মৎস্য অফিসের লোকজনের উপস্থিতি টের পেয়ে মাছ রেখেই পালিয়ে যায়। পরে মাছগুলো উদ্ধার করে হাসাইল কেন্দ্রীয় জামে মসজিদ মাদ্রাসায় বিতরণ করা হয়।

টঙ্গিবাড়ী থানা ওসি হারুন অর রশিদ জানান, জাটকা মাছ আমাদের চোখের সামনে পরলে আমরা আটক করি এয়াড়া মৎস বিভাগ আমাদের সহযোগিতা চাইলে আমরা তাদের সহযোগিতা করি। জাটকা নিধনের ব্যাপারে মৎস্য বিভাগ আমাদের কাছে সহযোগিতা চাইলে আমরা সকল ধরনের সহযোগিতা দিতে প্রস্তুত আছি।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা নাহিদা পারভীনের সঙ্গে ফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি কল রিসিভ করেননি।

উপজেলা সিনিয়র সহকারী মৎস্য কর্মকর্তা জাকির হোসেন মৃধা বলেন, বিষয়টি আমার জানা নেই। আপনার মাধ্যমে জানলাম। আমাদের মৎস্য অফিসের জনবল মাত্র দুজন। তারপরও প্রতিদিন সকাল থেকে জাটকার বিষয়ে অভিযান পরিচালনা করা হয়। কে বিক্রি করছে তা বলতে পারবো না, এমন কর্মকান্ড কাম্য নয়। ভবিষ্যতে এমন চিত্র দেখলে তাকে জানানোর অনুরোধ করেন এই মৎস্য কর্মকর্তা।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর