• বৃহস্পতিবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২১, ০৯:২০ অপরাহ্ন
  • Bengali Bengali English English
নোটিশ :
* ২৬ মার্চ মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উপলক্ষে দেশবাসীকে বীরযোদ্ধা অনলাইন পত্রিকার পক্ষ থেকে জানাই প্রাণ ঢালা অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা * বিভিন্ন বিভাগ, জেলা ও উপজেলাতে অভিজ্ঞ সংবাদকর্মী  আবশ্যক। আগ্রহীদের নিম্নে ঠিকানায় যোগাযোগ করার জন্য জানানো যাচ্ছে।

ঝিনাইদহে লকডাউনে ১৬ লাখ টাকা জরিমানা আদায়

বীরযোদ্ধা / ১৫
প্রকাশিত : ৪:১১ পিএম, (রবিবার) ১৮ এপ্রিল ২০২১

খালিদ হাসান, ঝিনাইদহ :

জরিমানা করে আর পারছি না। মামলা লিখতে লিখতে হাত ব্যথা হয়ে গেছে। এখন মোটরসাইকেলসহ কোনো যাত্রী পাইলেই থানায় পাঠিয়ে দিচ্ছি। এভাবেই কথাগুলো বলছিলেন ঝিনাইদহের কালীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী অফিসার সূবর্ণা রানী সাহা। চলমান লকডাউনের চতুর্থ দিন শনিবার (১৭ এপ্রিল) সকালে জেলার কালীগঞ্জ-কোটচাঁদপুর সড়কেরর রেলগেটে ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনার সময় কথা হয় এই নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের সাথে।

ঝিনাইদহে চলছে সর্বাত্মক লকডাউন। রবিবার পঞ্চম দিন পার হয়েছে। ঘরবন্ধি মানুষ এ কয়দিনে অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছে। তারা প্রয়োজন অপ্রয়োজনে বাইরে বের হয়ে আসছে। সকাল থেকে জেলা শহরসহ প্রতিটি উপজেলার মোড়ে মোড়ে চেকপোষ্ট দিয়ে জরিমানা করা হচ্ছে। এভাবে ২০২০ সালের এপ্রিল থেকে চলতি মাসের ১৭ এপ্রিল পর্যন্ত করোনাকালীন লকডাউনে ৬৮৩ ভ্রাম্যমান কোর্ট পরিচালনা করে ১৬ লাখ ১ হাজার ১০০ টাকা জরিমানা করা হয়েছে। তারপরও পুলিশ প্রশাসনের চোখ ফাঁকি দিয়ে তারা রাস্তায় নেমে আসছে।

এদিকে রবিবার সকাল সাতটার দিকে শহর ঘুরে দেখা গেছে, প্রায় প্রতিটি ব্যবসা প্রতিষ্ঠান খোলা রয়েছে। ঘর থেকে বেরিয়ে মানুষ তাদের প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র কিনছে। অনেকটা লকডাউন ছাড়া স্বাভাবিক দিনের মতোই মনে হচ্ছে। সকাল ৯টার পর প্রশাসনের সদস্যরা রাস্তায় আসলে এলে লোকসমাগম কিছুটা কমে আসছে। এরপরও সারাদিন বিভিন্ন গলি পথে পুলিশের চোখ ফাঁকি দিয়ে তারা কেনা বেচা করছে।

লকডাউনের ৫ম দিন রবিবারও জেলা শহরে কঠোর অবস্থানে রয়েছে পুলিশ বিভাগ ও জেলা প্রশাসন। সকাল থেকেই শহরের আরাপপুর, পোস্ট অফিস মোড়, চুয়াডাঙ্গা বাসস্ট্যান্ডসহ বিভিন্ন স্থানে পুলিশের পক্ষ থেকে চেকপোস্ট বসানো হয়। শহরে চলাচলকারীদের তথ্য যাচাই করে শহরে প্রবেশ করতে দেওয়া হচ্ছে।

এ ছাড়াও জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালিত হচ্ছে। বিনা কারনে বের হওয়াদের জরিমানা করা হচ্ছে।
এদিকে লকডাউনের চতুর্থদিন শনিবার শৈলকুপা উপজেলা শহরের কবিরপুর, চৌরাস্তা মোড়, হলমার্কেট, হাজী মোড়সহ বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা গেছে মানুষের চলাচল বেড়েছে। মুদি দোকান থেকে শুরু করে পোশাকের দোকানও খুলতে দেখা গেছে। দোকানে একটি পাল্লা খোলা রেখে চলছে বেচ-কেনা।

এ ব্যাপারে শৈলকুপা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা কানিজ ফাতেমা লিজা বলেন, লকডাউনে মানুষ যেন বিনা প্রয়োজনে ঘর থেকে বের না হয় তা ঠেকাতে নিয়মিত ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনা করছি। দোকানপাট খোলা হচ্ছে এ প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, কি করার আছে বলেন, মানুষকেও তো একটু সচেতন হতে হবে।

অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক সেলিম রেজা জানান, জেলার ছয় উপজেলায় করোনাকালীন প্রতিদিনই ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনা করা হচ্ছে। নিয়মিত জরিমানাও করা হচ্ছে। কিন্তু মানুষকে সচেতন করা যাচ্ছে না। তারা প্রয়োজনে অপ্রয়োজনে বাইরে বের হয়ে আসছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর