• বৃহস্পতিবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২১, ১০:৩৫ অপরাহ্ন
  • Bengali Bengali English English
নোটিশ :
* ২৬ মার্চ মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উপলক্ষে দেশবাসীকে বীরযোদ্ধা অনলাইন পত্রিকার পক্ষ থেকে জানাই প্রাণ ঢালা অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা * বিভিন্ন বিভাগ, জেলা ও উপজেলাতে অভিজ্ঞ সংবাদকর্মী  আবশ্যক। আগ্রহীদের নিম্নে ঠিকানায় যোগাযোগ করার জন্য জানানো যাচ্ছে।

ছুটছে মানুষ ঢাকামূখী, মহাসড়কে যানজট

বীরযোদ্ধা / ৭৮
প্রকাশিত : ৪:৩৫ পিএম, (শনিবার) ৩১ জুলাই ২০২১

নিজস্ব প্রতিবেদক :

কঠোর লকডাউন উপেক্ষা করে শনিবার (৩১ জুলাই) ভোর থেকেই ছুটছে মানুষ ঢাকামূখী। যে যেভাবে পারছেন সেভাবেই নিজ নিজ গন্তব্যে ছুটে চলেছেন। বিভিন্ন যানবাহনের চাপে ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কে মাঝে মধ্যেই লেগে যাচ্ছে যানজট। এদিকে হঠাৎ আকাশে রোদের দেখা মিলছে, আবার অঝোর ধারায় বৃষ্টি নামছে।

রবিবার (১ আগষ্ট) শিল্প কারখানা খোলার ঘোষণায় নিজ নিজ কর্মস্থলে যোগ দিতেই কর্মজীবী ওইসব মানুষদের এই ছুটে চলা। করোনা ভাইরাস রোধে যেখানে সরকার কঠোর লকডাউন আরোপ করেছে, সেখানে রোদে পুড়ে, বৃষ্টিতে ভিজে মানুষের এমন ভাবে ছুটে চলা মোটেই শুভকর নয় বলে সচেতন মহল মনে করছেন।

শনিবার দুপুর ২টায় ময়মনসিংহের ভালুকা বাসস্ট্যান্ডে দীর্ঘক্ষন দাঁড়িয়ে থেকে দেখা যায়, দুরপাল্লার কোনো যানবাহন না থাকায় বৃহত্তর ময়মনসিংহ বিভাগের জামালপুর, শেরপুর ও নেত্রকোণা জেলার বিভিন্ন উপজেলার শিল্পকারখানার বিভিন্ন কর্মজীবী মানুষ ট্রাক, পিকআপ যোগে ঢাকামুখী ছুটছেন। লোকাল বাস, ট্রাক ও পিকআপের চাপে মাঝে মধ্যেই মহাসড়কে তীব্র যানজট সৃষ্টি হচ্ছে।

যানজটে আটকা পরা ঢাকার যাত্রী রবিউল জানান, রবিবার থেকে কারখানা খোলা। অফিস থেকে ফোন করেছে কাজে যোগদান করতেই হবে। এদিকে লকডাউনে সড়কে দুরপাল্লার কোনো যানবাহন নেই, ফলে বাধ্য হয়েই ট্রাকে করে বেশি ভাড়া দিয়ে ঢাকায় রওনা দিয়েছেন।

চালক হানিফ মিয়া বলেন, দুরপাল্লার যানবাহন না থাকায় মহাসড়কে মানুষের অনেক চাপ। সরকারের নির্দেশনা অমান্য করে ট্রাক নিয়ে মহাসড়কে বের হয়েছি। যেকোনো সময় আমাদেরকেও তো জরিমানা করতে পারে। তাই ভাড়া কিছুটা বাড়িয়ে নিতেছি।

এদিকে শহিদ মিয়া নামে এক পথচারি জানান, দিন দিন করোনায় আক্রান্ত ও মৃত্যু বাড়ছে। সেখানে সরকারের নির্দেশনা উপেক্ষা করে রোদ বৃষ্টির মাঝে ট্রাকে গাদাগাদি করে এভাবে মানুষ ঢাকায় যাওয়াটা মোটেও ভালো লক্ষন নয়। এতেকরে সংক্রমনের ঝুঁকি আরো বেড়ে যেতে পারে। নিজে থেকে সচেতন না হলে সংক্রমন রোধ সম্ভব নয়।

পথচারি মিজানুর রহমান বলেন, সরকার রবিবার থেকে শিল্প কারখানা খুলে দেওয়ার ঘোষনা দিয়েছে। ঈদে বাড়ি যাওয়া মানুষগুলো এই লকডাউনে যানবাহন ছাড়া কিভাবে কর্মস্থলে যোগ দিবেন। যাতায়াতের বিষয়টি নিয়ে চিন্তা করা দরকার ছিল। যে অবস্থায় মানুষ যাচ্ছে তাতে করে করোনা সংক্রমন আরো বাড়ার আশঙ্কা রয়েছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর