• শনিবার, ২২ জানুয়ারী ২০২২, ০৬:২৬ পূর্বাহ্ন
  • Bengali Bengali English English
নোটিশ :
* ২৬ মার্চ মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উপলক্ষে দেশবাসীকে বীরযোদ্ধা অনলাইন পত্রিকার পক্ষ থেকে জানাই প্রাণ ঢালা অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা * বিভিন্ন বিভাগ, জেলা ও উপজেলাতে অভিজ্ঞ সংবাদকর্মী  আবশ্যক। আগ্রহীদের নিম্নে ঠিকানায় যোগাযোগ করার জন্য জানানো যাচ্ছে।

মামলা হতে মুক্তি চায় প্রতিবন্ধী সাকিমা

বীরযোদ্ধা / ৬০
প্রকাশিত : ৮:২২ পিএম, (শনিবার) ৩ এপ্রিল ২০২১

মো: ফারুক হোসেন, ময়মনসিংহ ব্যুরো :

জামালপুরের ইসলামপুর উপজেলার চিনাডুলী ইউনিয়নের পশ্চিম বাবনা ঘোনাপাড়া গ্রামের দুলাল সেখের মেয়ে প্রতিবন্ধী সাকিমা বেগম চেক জালিয়াতি প্রতারকচক্রের খপ্পরে পড়ে মামলায় জড়িয়ে হয়রানির শিকার হওয়ার অভিযোগ তোলেছেন।

সাকিমার অভিযোগ, ২০১৮ সালে গাজীপুরে একটি গার্মেন্টসে চাকুরি করার সময় পরিচয় হয় চাঁদপুরের শাহ আলমের ছেলে আরিফ ও চাদঁপুর বাবুর হাটের রশিদের ছেলে রাসেলের সাথে। এরপর তারা তাকে তাদের ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠানের ব্যবসায় মাসিক ১৬ হাজার টাকা বেতনের চাকুরির কথা বলে নিজের নামে ইসলামী ব্যাংকে একাউন্ড খুলে সাকিমার। পরে তারা সাকিমাকে কুমিল্লা জেলায় তাদের ব্যবসা রয়েছে বলে নিয়ে যায়। সেখানে তারা সাকিমাকে একটি চেক দিয়ে বলে ব্যাংক থেকে টাকা তার একাউন্ডে রাখার জন্য। ব্যাংকে চেক নিয়ে গেলে ব্যাংকার চেক জালিয়াতির বিষয়টি টের পেয়ে দুই ঘন্টার পর পুলিশের হাতে তুলে দেয় সাকিমাকে। এরপর পুলিশ ও গোয়ান্দা বিভাগের লোকজন সাকিমার দেওয়া তথ্য মোতাবেক চাঁদপুর উপজেলায় অভিযান চালিয়ে চেক জালিয়াতি চক্রের ২৪জনকে আটক করে জেলহাজাতে পাঠায়।

এ ঘটনায় প্রতিবন্ধী সাকিমাসহ অন্যান্যদের আসামী করে ২০১৮ সালের ১৩ নভেম্বর চাঁদপুর সদর মডেল থানায় মামলা (নং ৩৬) হয়। চাঁদপুর সদর থানা জি আর নং-৬৪৮/২০১৮ইং। ধারা ৪৬৭/৪৬৮/৪৭১/৪০৬/৪২০দণ্ড বিধি। প্রতারণা চক্রে ফেঁসে গিয়ে হতদরিদ্র প্রতিবন্ধী সাকিমা কোনো উপায় না পেয়ে হাইকোর্ট বিভাগের ক্রিমিনাল মিস কেইচ নং-২৯০১০১/২০১৯ইং মূলে বিগত ২০১৯ সালের ৭ মে তারিখের আদেশে জামিন প্রার্থনা করলে বিজ্ঞ আদালত ৬মাসের জামিন মঞ্জুর করেন। এরপর থেকে সাকিমা চাঁদপুর আদালতে কয়েকবার হাজিরা দিতে গেলে চেক জালিয়াতি চক্রের সদস্যরা তাকে নৌ-পথে প্রাণে মেরে ফেলার চেষ্টাসহ প্রাণনাশের হুমকি দিয়ে যাচ্ছে। সাকিমা বর্তমানে নিজ বাড়িতে অবস্থান করার সময় গত ২১দিন পূর্বে ইসলামপুর থানা পুলিশ গভীর রাতে সাকিমার বাড়িতে অভিযান চালিয়ে সাকিমাকে আটক করে জামালপুর জেলহাজতে প্রেরণ করে।

পরে অসহায় প্রতিবন্ধী সাকিমার পরিবার স্থানীয় চেয়ারম্যান আব্দুস ছালামকে ১০হাজার টাকা দিয়ে জামালপুর আদালত থেকে ছাড়িয়ে নিয়ে আসে। প্রতারক চক্রের কবলে পড়ে অর্থনৈতিকসহ মামলা হয়রানির শিকার হচ্ছে প্রতিবন্ধী সাকিমা বেগম।

এ ব্যাপারে প্রতারক চক্রের কবল থেকে রক্ষাসহ মামলা থেকে রেহায় পেতে মানবাধিকার সংস্থাসহ আইন প্রয়োগকারী সংস্থার সহযোগিতা কামনা করেছেন প্রতিবন্ধী সাকিমা ও তার পরিবার।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর