• মঙ্গলবার, ১৭ মে ২০২২, ০২:৩৫ অপরাহ্ন
  • Bengali Bengali English English
নোটিশ :
* ২৬ মার্চ মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উপলক্ষে দেশবাসীকে বীরযোদ্ধা অনলাইন পত্রিকার পক্ষ থেকে জানাই প্রাণ ঢালা অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা * বিভিন্ন বিভাগ, জেলা ও উপজেলাতে অভিজ্ঞ সংবাদকর্মী  আবশ্যক। আগ্রহীদের নিম্নে ঠিকানায় যোগাযোগ করার জন্য জানানো যাচ্ছে।

কালীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্যকমপ্লেক্সে ওষুধ সংকট ব্যাহত হচ্ছে চিকিৎসা সেবা

বীরযোদ্ধা / ৪৪
প্রকাশিত : ১০:১৫ পিএম, (মঙ্গলবার) ৫ অক্টোবর ২০২১

খালিদ হাসান, ঝিনাইদহ :

ঝিনাইদহ কালীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ওষুধ সংকটের কারণে রোগী সেবা দিতে পারছে না কর্তব্যরত ডাক্তাররা। রোগীরা হাসপাতালে এসে ডাক্তার দেখিয়ে ওষুধ না পেয়ে ফিরে যাচ্ছে। ফলে ওষুধ সংকটের কারণে মুখ থুবড়ে পড়েছে চিকিৎসা সেবা। করোনাকালে এ হাসপাতালে ওষুধ ও রোগীদের সেবা প্রদানের কোনো সমস্যা হয়নি। কিন্তু এখন ওষুধ সংকট দেখা দিয়েছে প্রকটভাবে। এমনকি জ্বর, গ্যাস ও খাবার স্যালাইন পর্যন্ত নেই। আবার হাসপাতালে ভর্তি হওয়া রোগীরা ওষুধ না পেয়ে বাইরে থেকে কিনে আনছেন। ওষুধের স্বল্পতার কারণে দীর্ঘদিন ধরে সমস্যায় ভুগছে কালীগঞ্জ উপজেলার মানুষ। প্রতিদিন সকাল ৯ টা থেকে হাসপাতালে রোগীরা ডাক্তার দেখানোর জন্য ভিড় করে থাকে। কিন্তু ডাক্তার দেখিয়ে তাদের প্রয়োজনীয় ওষুধ দিতে পারছে না। ফলে কর্তব্যরত ডাক্তার সাদা কাগজে লিখে দিচ্ছে ওষুধের নাম। সাথে বলে দেওয়া হচ্ছে ওষুধ বাইরে থেকে কিনে নিতে। ওষুধের স্বল্পতার কারণে ন্যূনতম প্রাথমিক চিকিৎসা ছাড়া আর কিছুই জোটে না এখানে। এ হাসপাতাল টি ৫০ শয্যা বিশিষ্ট, প্রায় সাড়ে ৪ লাখ মানুষ এ চিকিৎসা সেবা নিয়ে থাকে।

ডাক্তার অরুন কুমার দাস কালীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) বলেন, অনেকদিন হল হাসপাতালে ওষুধ সংকট রয়েছে। সরকার যে ওষুধ প্রদান করে তা বগুড়া ইবিসিএল কোম্পানি থেকে সরবরাহ করা হয়। ৩ অক্টোবর কালীগঞ্জ হাসপাতালের জন্য ওষুধের চাহিদা পাঠানো হয়েছে শিঘ্রই ওষুধ পাওয়া যাবে। এ হাসপাতালে ৩৮ প্রকার ওষুধ সরকার প্রদান করে থাকে। কিন্তু সেখানে এখন রয়েছে মাত্র ১৯ প্রকার। প্রয়োজনীয় ওষুধের অর্ধেক ওষুধ দিয়ে রোগীদের সেবা প্রদার করা হয়ে থাকে। যেমন প্যরাসিটামল, মেট্রোনিডাজোল, খাবারস্যালাইন, এ্যান্টাসিড, ডাইক্লোফেন, ইসোরাল, হিস্টাসিন, ভিটামিন এ ক্যাপসুল, প্যান্ট্রোপ্রজল, কট্রিম, সিপ্রফালস্ক্রিনসহ ১৯ প্রকার ওষুধ ছাড়াই চলছে রোগী সেবা। অধিকাংশ রোগীরা ওষুধ না পেয়ে কর্তব্যরত ডাক্তাররা সাদা কাগজে লিখে দিচ্ছে ওষুধের নাম। অনেক অসহায় হতদরিদ্র মানুষ বাইরে থেকে ওষুধ কিনতে গিয়ে দাম শুনে হিমসিম খাচ্ছে। ফয়লা গ্রামের রবিউল ইসলাম ডাক্তার দেখিয়ে ওষুধ কিনতে গিয়ে ফার্মেসিতে ওষুধের মুল্য বলেছে ১৩০০ টাকা। তিনি ওষুধ না কিনে বাড়িতে ফিরে যান। ওষুধ সংকটের কারণে মুখ থুবড়ে পড়ছে চিকিৎসাসেবা। তবে সংকট উত্তোরণে প্রচেষ্টা নিরাশন হবে বলে দায়িত্বরত ডাক্তার জানান।

স্বাস্থ্য কর্মকর্তারা বলেন, মেডিকেলের ভাষায় বলা হয় যে কমপ্লিট প্যাকেজ অব ট্রিটমেন্ট । এখানে সেটা ঠিক পরিপূর্ণ না। দিন দিন আমাদের নানা ধরনের সমস্যা বৃদ্ধি পাচ্ছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published.

এই বিভাগের আরও খবর