• সোমবার, ২৯ নভেম্বর ২০২১, ০৯:৩১ পূর্বাহ্ন
  • Bengali Bengali English English
নোটিশ :
* ২৬ মার্চ মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উপলক্ষে দেশবাসীকে বীরযোদ্ধা অনলাইন পত্রিকার পক্ষ থেকে জানাই প্রাণ ঢালা অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা * বিভিন্ন বিভাগ, জেলা ও উপজেলাতে অভিজ্ঞ সংবাদকর্মী  আবশ্যক। আগ্রহীদের নিম্নে ঠিকানায় যোগাযোগ করার জন্য জানানো যাচ্ছে।

কালীগঞ্জে শিক্ষক-ছাত্রের চুইঝাল চাষে সফলতা

বীরযোদ্ধা / ২০
প্রকাশিত : ১:০৮ পিএম, (বৃহস্পতিবার) ২২ এপ্রিল ২০২১

খালিদ হাসান, ঝিনাইদহ :

আরজান আলী যশোর ক্যান্টনমেন্ট কলেজের ব্যবসা-ব্যবস্থাপনা বিভাগের শিক্ষক। আর ছাত্র এহসানুল হক জিহাদ একই কলেজের অনার্স শেষ বর্ষের ছাত্র। করোনার কারণে দীর্ঘদিন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকায় ছাত্র ও শিক্ষক মিলে শুরু করেছিলেন চুইঝাল চাষ। এখন সেই চাষে সফলতা দেখতে পাচ্ছেন শিক্ষক ও ছাত্র।

সরেজমিনে ঝিনাইদহের কালিগঞ্জ উপজেলার হাসানহাটি গ্রামে গিয়ে দেখা যায়, প্রায় ২ বিঘা জমিতে চাষ করেছেন চুইঝালের। এ ছাড়াও ৫ শতক জমিতে রয়েছেন চুইঝালের নার্সারী।

অনার্স শেষ বর্ষের ছাত্র এহসানুল হক জিহাদ জানান, করোনাকালে কলেজ বন্ধ থাকায় কিছু একটা করার পরিকল্পনা থেকে চুইঝাল চাষ শুরু করি। ২০১৯ সালের মাঝামাঝি সময়ে বোনের বাড়িতে বেড়াতে যান। সেখানে গিয়ে দেখতে পান চুইঝালের চাষ। এরপর খোঁজখবর নিয়ে চুইঝালের চাষের প্রতি আগ্রহী হয়। প্রথমে ৩৫ টাকা দিয়ে একটি চারা কিনে আনেন। বোনের বাড়ি থেকে কিনে আনা চারাটি বাড়িতে লাগানোর এক বছর পর মূল্য হয় প্রায় পাঁচ হাজার টাকা।

তিনি আরও জানান, এরপর করোনায় শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ হয়ে যাওয়ায় ২০২০ সালের নভেম্বর মাসে বাণিজ্যিকভাবে চুইঝালের চাষ শুরু করেন। ডুমুরিয়া থেকে কাটিং এনে ২০০ চারা তৈরি করেন নার্সারীতে। সেই চারা দিয়ে বর্তমানে দুই বিঘা জমিতে চুইঝালের চাষ করছেন। জমিতে প্রায় ৪০০ গাছ রয়েছে। এ ছাড়াও ৫ শতক জমিতে তৈরি করেছেন নার্সারী। বর্তমানে নার্সারীতে প্রায় ২০ হাজারের মতো চারা রয়েছে। প্রতি পিস চারা তৈরিতে খরচ হয় ১০ থেকে ১৫ টাকা। বাজারে চারার মূল্য বেশি থাকলেও তার সে চারা প্রতিপিস ৩৫ টাকা করে বিক্রি করছেন যার বাজার মূল্য প্রায় ৭ লক্ষ টাকা ।

আরজান আলী বলেন, করোনাকালে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ। এরমধ্যে জিহাদকে চুইঝালের চাষের কথা বলি। সে রাজি হওয়ায় এ অঞ্চলে চুইঝালের চাষ শুরু হয়েছে। প্রতিমাসে চুইঝাল চাষ করে অনায়াসে ৫০ হাজার টাকা আয় করা সম্ভব। জিহাদের সঙ্গে আমিও চাষে সময় দিই। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকায় সময় দিতে পারছি। এ চাষে সময় কম দিলেও সমস্যা নাই। নার্সারী থেকে চুইঝালের চারা দেশের বিভিন্ন জেলায় পাঠানো হচ্ছে। বর্তমানে নার্সারীতে ৪ জন বেকারের কর্মসংস্থান হয়েছে। প্রতিদিনি তারা ৫০০ টাকা করে মজুরি পাই।

কালীগঞ্জ উপজেলা কৃষি অফিসার শিকদার মোহায়মেন আক্তার জানান, আমার জানা মতে উপজেলায় এটিই চুইঝালের প্রথম চাষ। তারা যোগাযোগ করলে যেকোনো ধরনের পরামর্শ ও সহযোগিতা কৃষি অফিসের পক্ষ থেকে করা হবে।

 


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর