• সোমবার, ২৫ অক্টোবর ২০২১, ১০:৫৭ পূর্বাহ্ন
  • Bengali Bengali English English
নোটিশ :
* ২৬ মার্চ মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উপলক্ষে দেশবাসীকে বীরযোদ্ধা অনলাইন পত্রিকার পক্ষ থেকে জানাই প্রাণ ঢালা অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা * বিভিন্ন বিভাগ, জেলা ও উপজেলাতে অভিজ্ঞ সংবাদকর্মী  আবশ্যক। আগ্রহীদের নিম্নে ঠিকানায় যোগাযোগ করার জন্য জানানো যাচ্ছে।

ইসলামপুরে টিআর ও কাবিটা কর্মসূচির সোলার ও লাইটে জনপদ আলোকিত

বীরযোদ্ধা / ৫১
প্রকাশিত : ৭:৪৮ পিএম, (সোমবার) ৩ মে ২০২১

মোঃ ফারুক হোসেন, ময়মনসিংহ ব্যুরো :

জামালপুরের ইসলামপুরে সোলার প্রকল্পে সকারের গ্রামীন অকাঠামো উন্নয়ন কর্মকান্ড পাল্টে গেছে গ্রামীন চিত্র, হোম সোলার ও স্ট্রিট লাইটে গ্রামীন জনপদ এখন আলোকিত শহরে পরিণত হয়েছে। সন্ধ্যা নামার সাথে-সাথেই স্বয়ংক্রিয়ভাবে জ্বলে উঠে সোলার বাতিগুলো।

বাংলাদেশ সরকারের ধর্ম-প্রতিমন্ত্রী আলহাজ্ব ফরিদুল হক খান দুলাল এমপি’ ও জামালপুর ও শেরপুর সংরক্ষিত আসনের মহিলা এমপি’ ও উপজেলা পরিষদের সাধারণ বরাদ্ধ উদ্যোগে টিআর ও কাবিটা প্রকল্পের আওতায় গ্রামীণ জনপদের সড়ক ও মেঠো পথগুলোতে স্ট্রিট লাইট বসানোয় উপজেলার মেঠোপথগুলো হয়ে উঠেছে আলোকিত। প্রধানমন্ত্রীর ঘরে ঘরে বিদ্যুৎ দেয়া ও গ্রাম হবে শহর। এ অঙ্গীকার এখন গ্রামীণ সড়কগুলোকে সৌর বিদ্যুতের আলোয় আলোকিত করছে। সন্ধ্যা নামার সাথে-সাথেই স্বয়ংক্রিয়ভাবে জ্বলে উঠে বাতিগুলো।

আবার সকালের আলো ফোটার সাথে সাথেই স্বয়ংক্রিয়ভাবে বন্ধ হয়ে যায়।ইসলামপুর-গুঠাইল,ইসলামপুর-টু গোয়ালেরচর, গাইবান্ধাসহ বিভিন্ন রোড, মসজিদসহ গুরুত্বপুূর্ণ স্থানে শোভা পাচ্ছে সোলার স্ট্রিট । এছাড়া গ্রামের বাড়িগুলোতে হোম সোলার রাতের আধার আলোকিতসহ যমুনার চরের সোলার সেচপাম্প চাষাবাদে কৃষকের মূখে ফুটেছে হাসি। বাতি স্থাপনের আগে এসব রাস্তায় মানুষ চলাচল করতে ভয় পেত পরতে হতো নানান জটিলতায়। এখন সেই ভয় আর জটিলতা নেই। কাজ শেষে সন্ধ্যার পরও নির্বিঘ্নে বাড়িতে ফিরতে পারেন তারা। অপরাধ দমনের পাশাপাশি এসব বাতি স্থাপনে দূর হয়েছে উপজেলাবাসীর জীবনের অন্ধকার।

জানা গেছে, ২০১৯-২০অর্থ বছরের গ্রামীণ অবকাঠামো সংস্কার টিআর ও কাবিটা কর্মসূচির আওতায় বাস্তবায়িত সোলার (উন্নয়ন) প্রকল্পের আওতায় পৌরসভায় টিআর প্রকল্পের ১ম পর্যায়ে সোলার স্ট্রিট লাইট ৪টি, ২য় পর্যায়ে ৫টি। সাধারণ ১ম পর্যায়ে স্ট্রিট লাইট ২৯টি, হোম সোলার ৩৫টি এবং ২য় পর্যায়ে স্ট্রিট লাইট ৩৭ টি এবং হোম সোলার ১২টি।

ধর্মবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী মো. ফরিদুল হক খান দুলার এমপি টিআর কর্মসূচির অওতায় সোলার খাতে প্রথম পর্যায়ে বরাদ্দ ছিল স্ট্রিট লাইট ৪টি, হোম সোলার ১টি, ২য় পর্যায়ে স্ট্রিট ৫টি, হোম সোলার ১টি ও সেচপাম্প ছিল ৫টি। সংরক্ষিত আসনের মহিলা এমপি হোসনে আরা কর্তৃক ১ম পর্যায়ে স্ট্রিট ছিল ১০টি, বরাদ্ধ হোম সোলার প্রকল্প ছিল ৩৯টি এবং ২য় পর্যায়ে স্ট্রিট লাইট ছিল ১৫টি। এছাড়া জেলা প্রশাসক কর্তৃক বরাদ্দ ছিল ২য় পর্যায়ে ৩টি হোম সোলার, ১ম পর্যায়ে ১টি হোম সোলার। বিভাগীয় কমিশনার কর্তৃক ২য় পর্যায়ে ৩টি হোম সোলারসহ টিআর প্রকল্পের আওতায় মোট বরাদ্দ ছিল স্ট্রিট ১০৯টি, হোম সোলার ৯৫টি এবং সেচ পাম্প ছিল ১০টি। এছাড়া কাবিটা প্রকল্পের ১ম পর্যায়ে সাধারণ বরাদ্দ সোলার স্ট্রিট ছিল ৪৮টি, হোম সোলার ছিল ১৩টি এবং ২য় পর্যায়ে স্ট্রিট ছিল ৫০টি এবং হোম সোলার ছিল ১২টি।

ধর্ম বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী মো. ফরিদুল হক খান দুলার এমপি কাবিটা কর্মসূচির অওতায় সোলার খাতে বরাদ্দ ছিল প্রথম পর্যায়ে হোম সেলার ৮টি, সেচ ছিল ৫টি এবং ২য় পর্যায়ে হোম সোলার ১টি, সেচ ৫টি ও স্ট্রিট লাইট ছিল ৬টি। সংরক্ষিত আসনের মহিলা এমপি হোসনে আরা কর্তৃক ১ম পর্যায়ে কাবিটা প্রকল্পের সোলার খাতে স্ট্রিট ছিল ৩০টি, হোম সোলার ছিল ১৬টি, ২য় পর্যায়ে স্ট্রিট ছিল ১৯টি, হোম সোলার ছিল ১টি। কাবিটা প্রকল্পের সোলার খাতে মোট স্ট্রিট ছিল ১৫৩টি এবং হোম সোলার ছিল ৫১টি ও সোলার সেচ পাম্প ছিল ১০টি। সোলার প্রকল্পের কাবিটা অর্থ ছিল ১কোটি ৯৩ লাখ ৩৫ হাজার ৯৮০ টাকা। টিআর প্রকল্পের অর্থ বরাদ্দ ছিল ১ কোটি ৭১ লাখ ৬৮ হাজার ৯৭৯ টাকা।

সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, এই সব উন্নয়ন প্রকল্পের সোলার প্যানেল কৃষকের সেচ কার্যক্রম, উপজেলার বিভিন্ন গ্রাম আলোকিতসহ গুরুত্বপূর্ণ স্থানে স্ট্রিট লাইট স্থাপন করা হয়েছে।

পথচারির বীরযোদ্ধাকে জানান, আমাদের রাস্তায় চলাচল করতে আর কোন অসুবিধা পরতে হয়না। তবে কিছু জায়গায় বাকি আছে, সেগুলোতে দ্রুত সড়ক বাতি স্থাপন করা দাবি জানান তারা।

উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মেহেদী হাসান টিটু বীরযোদ্ধাকে জানান, উপজেলার প্রতিটা রাস্তার গুরুত্বপূর্ণ স্থানে স্ট্রিট লাইট বসানো হয়েছে। স্ট্রিট লাইট বসানোয় এর সুফল পাচ্ছে উপজেলার প্রত্যন্ত এলাকার মানুষগুলো। সোলারে অন্যান্য প্রকল্পগুলির কাজ সুষ্ঠুভাবে বাস্তবায়িত হয়েছে।

উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান এস এম জামান আব্দুন নাসের বাবুল বীরযোদ্ধাকে জানিয়েছেন, সরকারের উন্নয়নের কার্যক্রমকে এগিয়ে নিতে গ্রামের মানুষের জীবন বদলে দিতেই হোম সোলার, সোলার সেচ পাম্প ও সৌর সড়ক বাতি স্থাপন করতে সক্ষম হয়েছি। সেব সব এলাকায় এখনো অন্ধকারে রয়েছে অল্প সময়ের মধ্যেই সমস্ত উপজেলায় সোলার স্ট্রিট স্থাপন করা হবে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর